সিরাজগঞ্জে আড়াই কিলোমিটার সড়কের বেহাল অবস্থা, জনদুর্ভোগ

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৬, ২০:৫৪ | অনলাইন সংস্করণ

  এস.এম তফিজ উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার গোনাইগাতি সড়কের বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোহালা নদীর পশ্চিমপাড় গোনাইগাতি খেয়াঘাট থেকে সুজা-কালিয়াকৈর সড়কের কুমার ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার কাঁচা সড়কটি গোনাইগাতি সড়ক নামে পরিচিত।

দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সড়কটি সংস্কার না করায় চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ দুর্ভোগ থেকে রেহাই পেতে এলাকাবাসী একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসনের কাছে আবেদন করলেও কোনো কাজ হয়নি।

সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটির বেহাল অবস্থা আরও প্রকট আকার ধারণ করে। বিশেষ করে কাদা, গর্ত ও জলাবদ্ধতার কারণে এলাকাবাসীর চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এমনকি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের এক ঘণ্টার পথ আড়াই ঘণ্টা ঘুরে যেতে হয়। এছাড়াও কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এ অবস্থায় সড়কটিতে অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং অনেক সময় গাড়ি ঠেলেঠুলে পার করতে হচ্ছে। শস্যভান্ডারখ্যাত এ অঞ্চলের কৃষকেরা স্থানীয় হাটবাজারে ধানসহ অন্যান্য মালামাল সরবরাহ করতে পারছেন না।

স্থানীয়রা বলছেন, গোনাইগাতি সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে কায়েমখোলা, কালিয়াকৈর, সুজা ও কৈবর্তগাতীসহ কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এবং প্রতিদিন ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটছে। এ অঞ্চলের কৃষক ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির শেষ নেই। জনস্বার্থে সড়কটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তে পানি জমে থাকছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী এম শহিদুল্লাহ আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, এলজিইডি বিভাগের আওতায় উপজেলার কয়েকটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে স্বল্প সময়ের মধ্যেই গোনাইগাতি সড়কও এ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান বলেন, জনস্বার্থে ওই সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।