হাজীগঞ্জে পৌর মেয়র প্রার্থী হাসান মিয়াজীর গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ

প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ১৯:০০ | অনলাইন সংস্করণ

  হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

হাজীগঞ্জ পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের মকিমাবাদ এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ হাসান মিয়াজী। আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে শনিবার (২০ জুন) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গণসংযোগকালে তিনি স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

এদিন বিকেলে হাজীগঞ্জ বাজারস্থ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল জামে মসজিদে আসরের নামাজ আদায় করে গণসংযোগ শুরু করেন। এরপর তিনি ৪নং ওয়ার্ডের পশ্চিম মকিমাবাদ আতুরিয়া মাদ্রাসা, আমিন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, রেলস্টেশনসহ পুরো এলাকায় গণসংযোগ করেন এবং তাকওয়া মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায় করেন।

গণসংযোগকালে পৌর ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। গণসংযোগ শেষে তিনি তাঁর কার্যালয়ে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দলীয় নেতাকর্মী, স্থানীয় বাসিন্দা ও এলাকাবাসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

মোহাম্মদ হাসান মিয়াজী বলেন, “আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আমি মেয়র প্রার্থী। তবে বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে আমি দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দিয়ে সমর্থন করে, তাহলে আমি নির্বাচন করব। আর যদি অন্য কাউকে সমর্থন করে, আমি তার সঙ্গে থাকব।”

হাজীগঞ্জ পৌরসভার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এবং জবাবদিহিমূলক কার্যক্রম নিশ্চিত করা হবে উল্লেখ করে তিনি তাঁর পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, “আমি মেয়র নির্বাচিত হলে আধুনিক পৌরসভা গড়ার লক্ষ্যে প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদক, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাংসহ সব ধরনের অপরাধ নির্মূলে এবং নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করব।

হাজীগঞ্জ বাজারের যানজট নিরসনে সংসদ সদস্য ইঞ্জি. মমিনুল হকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় দ্রুততম সময়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া বিধিবহির্ভূতভাবে পৌরসভার অর্থ আত্মসাৎ হয়—এমন কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না।

পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে সমবণ্টনের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন, ময়লা ফেলার নির্ধারিত স্থানসহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে ১২টি ওয়ার্ডে ড্রেন নির্মাণ করা হবে। যেসব ওয়ার্ডে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই, সেসব ওয়ার্ডে বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “হতদরিদ্র মানুষের জন্য বাসস্থান, চিকিৎসা ও পড়ালেখায় আর্থিক সহযোগিতা এবং মসজিদ, মন্দিরসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা হবে। হকারদের পুনর্বাসনে পৌরসভা ও বাজার কমিটির সমন্বয়ে ব্যবসায়ী কমিটির মতামতের ভিত্তিতে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি পৌর এলাকার সৌন্দর্যবর্ধনেও কাজ করা হবে।”