হাজীগঞ্জ পৌর এলাকায় মেয়র প্রার্থী হাসান মিয়াজীর গণসংযোগ
প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৬, ২০:১৮ | অনলাইন সংস্করণ
হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ বলাখাল, তুলাতল ও বলাখাল বাজারের একাংশে গণসংযোগ করেছেন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ হাসান মিয়াজী।
শনিবার (২৭ জুন) বিকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পরিচালিত এ গণসংযোগে তিনি স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজ-খবর নেন।
বিকেলে বলাখাল পশ্চিম বাজারস্থ জামে মসজিদে আছরের নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে তাঁর গণসংযোগ কার্যক্রম শুরু হয়। পরে তিনি দক্ষিণ বলাখাল, তুলাতলসহ ১নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালান।
এসময় তিনি ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জসিম মজুমদারের বড় ভাই প্রয়াত খোরশেদ আলমের কবর জিয়ারত করেন। এছাড়া ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি অসুস্থ মেহেদী হাসানের শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন এবং তাঁর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
মাগরিবের নামাজ শেষে বলাখাল আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ থেকে পুনরায় গণসংযোগ শুরু করে বলাখাল পশ্চিম বাজারের একাংশে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন তিনি।
গণসংযোগে ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি শেষে নিজ কার্যালয়ে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দলীয় নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন হাসান মিয়াজী।
গণসংযোগকালে মোহাম্মদ হাসান মিয়াজী বলেন, আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে তিনি মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশা করছেন।
তিনি বলেন, “দল যদি আমাকে মনোনয়ন দিয়ে সমর্থন করে, তাহলে আমি নির্বাচন করবো। আর যদি অন্য কাউকে সমর্থন দেওয়া হয়, তাহলে আমি তার পক্ষেই কাজ করবো।”
হাজীগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে প্রশাসনের সহযোগিতায় মাদক, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং দমন এবং নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, হাজীগঞ্জ বাজারের যানজট নিরসনে সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একইসঙ্গে পৌরসভার অর্থ অপচয় বা অনিয়মের সুযোগ থাকে—এমন কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না।
হাসান মিয়াজী জানান, পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে সমবণ্টনের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে নির্ধারিত ময়লা ফেলার স্থান তৈরি, জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন নির্মাণ এবং যেসব ওয়ার্ডে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই সেখানে বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এছাড়া হতদরিদ্র মানুষের জন্য বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষায় আর্থিক সহায়তা, মসজিদ-মন্দিরসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, হকারদের পুনর্বাসন এবং পৌর এলাকার সৌন্দর্যবর্ধনে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন তিনি।
