দেবহাটায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, অভিযুক্ত আটক

প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৭:৪৬ | অনলাইন সংস্করণ

  দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

দেবহাটা উপজেলার পল্লীতে ৯ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। মামলা পরবর্তী পুলিশের দ্রুত অভিযানে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে।

মামলাটি দায়ের করেছেন উপজেলার চর রহিমপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের স্ত্রী মোছা. নাসিমা খাতুন (৩৮)।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদিনীর কন্যা উপজেলার টাউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ৩ জুলাই শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাদিনীর কন্যা তাদের বাড়ির পার্শ্ববর্তী চরশ্রীপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৪)-এর মুদি ও চায়ের দোকানে খাবার কিনতে যায়।

বাদিনী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, অভিযুক্ত তাদের প্রতিবেশী। তার মেয়ে মোস্তাফিজুর রহমান-এর দোকানে খাবার কিনতে গেলে অভিযুক্ত তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি ও প্রলোভন দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায়। তার মেয়ে রাজি না হলে, দোকানে অন্য কোনো লোকজন না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত তাকে দোকানঘরের মধ্যে নিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

একপর্যায়ে মেয়ের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তকে দোকানঘরের মধ্যে আটক রেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক এবং ভিকটিমকে জিম্মায় নেয়।

বাদিনী এজাহারে আরও উল্লেখ করেছেন, পুলিশের উপস্থিতিতে ঘটনার বিষয়ে তিনি তার মেয়ের কাছে জানতে চাইলে সে পুরো ঘটনা প্রকাশ করে।

এছাড়া, অভিযুক্ত পূর্বেও বিয়ের প্রলোভন দিয়ে বিভিন্ন সময় ও স্থানে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করেছে এবং বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়েছে বলেও জানায়। এ বিষয়ে দেবহাটা থানায় দায়েরকৃত মামলা নং-০৫, তাং- ০৩-০৭-২৬ ইং।

দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলিম জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তকে আটক এবং ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে।

বিজ্ঞ আদালতে ২২ ধারায় ভিকটিমের জবানবন্দি গ্রহণ ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য তাকে সাতক্ষীরায় পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে ওসি জানান।