হাজীগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মাঠে হাসান মিয়াজী, দিলেন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৬, ২০:৪৮ | অনলাইন সংস্করণ

  হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মকিমাবাদ এলাকায় গণসংযোগ করেছেন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ হাসান মিয়াজী।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

বিকেলে হাজীগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনাল এলাকার গাজী বাড়ি জামে মসজিদে আছরের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে গণসংযোগ শুরু করেন তিনি।

পরে মকিমাবাদ গাজী বাড়ি এলাকা, দক্ষিণপাড়া, মধ্যপাড়া বালির মাঠ, শশ্মান এলাকা, পশ্চিমপাড়া কাজী বাড়ি, করিম বাগান, ডিগ্রি কলেজ রোড, জমিদার বাড়ি রোড, সান্ত্বনা মার্কেট এবং হকার্স মার্কেটের একাংশসহ পুরো এলাকায় গণসংযোগ চালান।

গণসংযোগকালে পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচি শেষে নিজ কার্যালয়ে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দলীয় নেতাকর্মী, স্থানীয় বাসিন্দা ও সমর্থকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

মোহাম্মদ হাসান মিয়াজী বলেন, আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে তিনি মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং বিএনপির একজন কর্মী হিসেবে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশা করছেন। তিনি বলেন, দল তাকে মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করবেন, আর অন্য কাউকে সমর্থন দিলে তার পক্ষেই কাজ করবেন।

পৌরসভার উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে হাসান মিয়াজী বলেন, নির্বাচিত হলে প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি আধুনিক পৌরসভা গড়ে তুলতে কাজ করবেন। মাদক, ইভটিজিং, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ এবং নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, হাজীগঞ্জ বাজারের যানজট নিরসনে সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিধিবহির্ভূতভাবে পৌরসভার অর্থ আত্মসাতের সুযোগ রয়েছে—এমন কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না।

এছাড়া পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডে সমবণ্টনের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা, নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন নির্মাণ এবং যেসব ওয়ার্ডে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই, সেখানে বিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

হাসান মিয়াজী বলেন, হতদরিদ্র মানুষের বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষায় আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।

একই সঙ্গে মসজিদ, মন্দিরসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, হকারদের পুনর্বাসন এবং পৌর এলাকার সৌন্দর্যবর্ধনেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।