রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে নতুন চ্যালেঞ্জ, গ্যাসের সংকট
প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ১৬:৩৮ | অনলাইন সংস্করণ
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষা এখন শেষ পর্যায়ে। তবে উৎপাদন শুরুর আগমুহূর্তেই সামনে এসেছে নতুন এক চ্যালেঞ্জ—কেন্দ্রটি নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু রাখতে জাতীয় গ্রিডে সার্বক্ষণিক বিপুল পরিমাণ স্পিনিং রিজার্ভ নিশ্চিত করতে হবে, যার জন্য প্রতিদিন প্রয়োজন হবে প্রায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস।
অথচ বর্তমানে দেশের সব গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ করা হচ্ছে গড়ে মাত্র ১ হাজার এমএমসিএফডি গ্যাস।
এমন পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত ৫০০ এমএমসিএফডি গ্যাসের সংস্থানকে কঠিন বলে মনে করছে পেট্রোবাংলা। অন্যদিকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বাবিউবো) বলছে, রূপপুরের নিরাপদ পরিচালনা নিশ্চিত করতে এই গ্যাস সরবরাহের বিকল্প নেই।
বাবিউবো থেকে বিদ্যুৎ বিভাগে পাঠানো চিঠির সূত্রে জানা যায়, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নিরাপত্তার স্বার্থে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালু রাখতে জাতীয় গ্রিডে অন্তত ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের জোগান নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
বাবিউবোর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ বিভাগ আবার জ্বালানি বিভাগে জাতীয় গ্রিডে ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের জোগান নিশ্চিত করতে সুপারিশ করেছে।
জানা গেছে, গত ২৮ জুন বাবিউবো থেকে বিদ্যুৎ বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি) বাবিউবোকে জানিয়েছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট খুব শিগগিরই জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হবে। এ অবস্থায় জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ফ্রিকোয়েন্সি, ভোল্টেজের স্থিতিশীলতা এবং পরিচালনাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাশিয়ার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসটিসি ইউপিএস বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ন্যূনতম ২ হাজার ২১০ মেগাওয়াট স্পিনিং রিজার্ভ রাখার সুপারিশ করেছে।
(বিদ্যুতের স্পিনিং রিজার্ভ হলো এমন একটি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা, যা গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত থাকে কিন্তু সম্পূর্ণ লোডে চলে না। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে কোনো সমস্যা হলে বা হঠাৎ চাহিদা বেড়ে গেলে এই রিজার্ভ কয়েক সেকেন্ড বা কয়েক মিনিটের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে চালু হয়ে গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি স্থিতিশীল রাখে এবং লোডশেডিং বা ব্ল্যাকআউট প্রতিরোধ করে।)
সুপারিশে বলা হয়েছে, এর মধ্যে ৩৬৭ মেগাওয়াট প্রাইমারি ফ্রিকোয়েন্সি কন্ট্রোল (পিএফসি/এফজিএমও) এবং ৮৪৩ মেগাওয়াট সেকেন্ডারি ফ্রিকোয়েন্সি কন্ট্রোল (এসএফসি/এজিসি) রিজার্ভ রাখার কথা বলা হয়েছে।
পিজিসিবি জানায়, গ্যাস টারবাইনভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দ্রুত সাড়া দিতে সক্ষম হওয়ায় প্রয়োজনীয় স্পিনিং রিজার্ভের বড় অংশ গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকেই সংস্থান করার পরামর্শ দিয়েছেন রাশিয়ান বিশেষজ্ঞরা। এ পরিমাণ রিজার্ভ নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে অন্তত ৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখা প্রয়োজন।
এ জন্য জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোয় প্রতিদিন আনুমানিক ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ প্রয়োজন হবে বলে বাবিউবো জানিয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিশীল পরিচালনা এবং জাতীয় গ্রিডের সিস্টেম স্ট্যাবিলিটি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রাখা অপরিহার্য। এ কারণে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছালেও কেন্দ্রটি নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু রাখার জন্য জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৪০০-১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাসের প্রয়োজন হবে। অথচ বর্তমানে সব গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ১ হাজার এমএমসিএফডি, যা এই মেগা প্রকল্পের টেকসই পরিচালনার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
অথচ জ্বালানি সংকটের এই সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় ভরসা হতে পারে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। সরকারের প্রত্যাশা, আগামী আগস্ট মাসের শেষ দিকে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে শিল্পকারখানা ঠিকমতো চলছে না, নতুন বিনিয়োগ হচ্ছে না, এমনকি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। অন্তত ৫ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গ্যাসের সংকটে প্রায়ই বন্ধ থাকছে।
সর্বশেষ গত মঙ্গলবার পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইটে দেখা যায়, জাতীয় গ্রিডে সর্বমোট ২ হাজার ৫২৪ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোয় দেওয়া হয়েছে মাত্র ৯৪৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। ২ হাজার ৫২৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মধ্যে ৯০৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এলএনজি হিসেবে বিদেশ থেকে উচ্চমূল্যে আমদানি করতে হচ্ছে।
এই অবস্থায় কেবল গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের জোগান প্রায় অসম্ভব বলে জানাচ্ছেন পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য বাবিউবোকে ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের জোগান দেওয়া হলে দেশের শিল্পকারখানাসহ অন্যান্য খাত প্রায় অচল হয়ে পড়বে। তিনি বলেন, প্রতিদিন অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাসের জোগান কমছে।
অন্যদিকে এলএনজি আমদানির অবকাঠামোগত সংকট রয়েছে। অর্থাৎ এলএনজি আমদানির জন্য আরও টার্মিনাল বা এফএসআরইউ (ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল) না থাকায় সরকার চাইলেও দ্রুত আরও বেশি এলএনজি আমদানি করতে পারবে না। ফলে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করতে পরোক্ষভাবে যদি জাতীয় গ্রিডে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোয় ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের জোগান দিতে হয়, তবে জ্বালানি খাত এক বিরাট সংকটে পড়বে। তিনি বলেন, এখন দেখার বিষয় কীভাবে সামগ্রিক বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হয়।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
জানা গেছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি জাতীয় গ্রিডে সংযুক্তির প্রস্তুতি পর্যায়ে রয়েছে। গ্রিডে সংযুক্তির আগে বিভিন্ন ধাপে কমিশনিং, নিরাপত্তা পরীক্ষা, সিস্টেম সমন্বয় এবং গ্রিডের স্থিতিশীলতা যাচাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে। দ্বিতীয় ইউনিটেরও নির্মাণ ও কমিশনিং কার্যক্রম অগ্রসর হচ্ছে। প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে দুই ইউনিট মিলিয়ে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জিত হবে।
এদিকে প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগমুহূর্তেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনিষ্পন্ন থাকায় নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে প্রকল্পটি। এখনও স্পেন্ট ফুয়েল অপসারণের চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। নির্ধারণ হয়নি বিদ্যুতের দাম। বাকি রয়েছে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণসংক্রান্ত সমঝোতা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জাতীয় গ্রিডের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ এবং স্পিনিং রিজার্ভের জন্য গ্যাসের জোগান নিশ্চিত করার বিষয়টি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে শুধু রিঅ্যাক্টরে জ্বালানি লোড বা বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করাই একমাত্র সফলতা নয়; বরং এর দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উপযোগিতা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই আসল চ্যালেঞ্জ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বেশ কিছু অতিগুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাচ্ছে। ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি (স্পেন্ট ফুয়েল) মানবদেহ ও পরিবেশের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এই ক্ষতিকর বর্জ্য রাশিয়া পুনর্ব্যবহারের জন্য ফেরত নিয়ে যাবে, নাকি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করবে—সে বিষয়টি এখনও অস্পষ্ট। পাশাপাশি এই প্রক্রিয়ার ব্যয়ভার কেমন হবে, তাও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) চূড়ান্ত না হওয়ায় বিদ্যুতের দাম নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। কেন্দ্রটির পরিচালনা-রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রস্তাবিত ‘ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি’ গঠনের প্রক্রিয়াটিও এখনও অমীমাংসিত। অধ্যাপক শফিকুল ইসলামের মতে, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতের স্বার্থে এসব চুক্তি অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, গ্রিড ফ্রিকোয়েন্সি ওঠানামার ঝুঁকি এড়াতে রূপপুর কর্তৃপক্ষ ও বিতরণ কোম্পানিগুলোর মধ্যে রিয়েল-টাইম সমন্বয় প্রয়োজন।
পিজিসিবির এক কর্মকর্তা বলেন, রূপপুরের বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ার চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে জাতীয় গ্রিডের সঞ্চালন সক্ষমতা। পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়, কিন্তু দেশের গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদা দিন-রাতের ব্যবধানে ব্যাপক ওঠানামা করে। হঠাৎ চাহিদা কমে গেলে বা ঝড়-বৃষ্টির সময় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে পুরো বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ধসে পড়ার ঝুঁকি থাকে।
তিনি বলেন, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রাখতে হলে সার্বক্ষণিক গ্রিডে ৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সঞ্চালন রাখা জরুরি। বিষয়টি নিয়ে বাবিউবোর সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বেশি চালু রাখা গেলে ভালো হয়। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানও সেই সুপারিশ করেছে।
তবে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাছান বলেন, ‘আমাদের মূল ফোকাস এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন। দক্ষ জনবলের অভাব থাকায় সবকিছু একসঙ্গে করতে গেলে কোনোটিই মানসম্মত হবে না। তবে ফুয়েল নিয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তি আছে এবং ব্যবস্থাপনা চুক্তির কাজও অনেক দূর এগিয়েছে।’
রাষ্ট্রীয় দুই কোম্পানির বিষয় হওয়ায় পিপিএ নিয়েও তিনি চিন্তিত নন। তিনি জানান, কোনো ঘাটতি থাকলে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব নয়। তাই উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।
উল্লেখ্য, রূপপুর প্রকল্প নির্মাণে আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করছে রাশিয়া। প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের ৯০ শতাংশ অর্থ ঋণ দিচ্ছে রাশিয়া, যা ২৮ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। রুশ প্রতিষ্ঠান রোসাটমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নির্মাণকাজ চলছে।
