আমরাজুরী সেতু নির্মাণে অগ্রগতি, সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে সেতু সচিব
প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ১৭:০৮ | অনলাইন সংস্করণ
কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

পিরোজপুরের কাউখালী ও নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত আমরাজুরী সেতু নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে সরকারি সফরসূচি অনুযায়ী তিনি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে গাবখান চ্যানেলের ওপর প্রস্তাবিত আমরাজুরী সেতুর সম্ভাব্য স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা, ভৌগোলিক অবস্থা এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন।
সফরকালে সচিব ভাণ্ডারিয়া উপজেলার চরখালী সেতুর সম্ভাব্য স্থান, সন্ধ্যা নদীর ওপর ইন্দেরহাট–স্বরূপকাঠি সেতু এবং আমরাজুরী সেতুর সম্ভাব্য স্থানও পরিদর্শন করেন। গাবখান চ্যানেলের ওপর দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সেতু বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও পায়রা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. তোফাজ্জল হোসেন, সহকারী প্রকৌশলী অনিন্দ সাহা অন্তু, পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ইসরাত জাহান, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, কাউখালী থানার তদন্ত পরিদর্শক এবাদ আলী, বিএনপির কাউখালী উপজেলা সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম. দ্বীন মোহাম্মদ, বিএনপি নেতা শরিফুল আজম দুলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকাত হোসেন তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহিদুর রহমান ফিরোজ, সদস্য সচিব রাকিব তালুকদারসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বরিশালের ঘড়িয়ারপাড় থেকে নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) হয়ে কাউখালী-নৈকাঠি-পিরোজপুর সড়কে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের জন্য গাবখান চ্যানেলের ওপর আমরাজুরী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ গুরুত্ব পায়। এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সেতু বিভাগ ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আমরাজুরী সেতু নির্মিত হলে কাউখালী ও নেছারাবাদের মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। পাশাপাশি কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা এবং সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
এলাকাবাসীর মতে, সেতু সচিবের এ পরিদর্শন প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
