‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ উদ্যোগে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন ভূমিমন্ত্রী
প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ২১:০১ | অনলাইন সংস্করণ
রাজশাহী ব্যুরো

১৯৫৯-৬০ সালের দিকে রাজশাহীতে যাত্রা শুরু করা পূবালী ব্যাংক পিএলসি এ অঞ্চলের মানুষের বিশ্বস্ত অংশীদার। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে এই ব্যাংকের ঐতিহাসিক ভূমিকা রয়েছে। আগামী দিনে রাজশাহীর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও স্মার্ট ব্যাংকিং প্রসারে পূবালী ব্যাংক কাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন মো. মিজানুর রহমান মিনু।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী নগরীর সিএন্ডবি মোড়ের একটি হোটেলে রাজশাহী অঞ্চলের পূবালী ব্যাংক পিএলসি আয়োজিত ‘ক্যাশলেস রাজশাহী’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা-দীক্ষায় উন্নত এ অঞ্চলের মানুষ নতুন এই ডিজিটাল ব্যাংকিং পদ্ধতিকে দ্রুত গ্রহণ করবে এবং এর ফলে রাজশাহীর অর্থনৈতিক মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের অগ্রযাত্রায় রাজশাহীকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে উল্লেখ করে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, রাজশাহীর ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরও গতিশীল করতে এবং আধুনিক সিঙ্গাপুর বা ইউরোপের আদলে ক্যাশলেস লেনদেন উৎসাহিত করতে এই উদ্যোগ চালু করা হয়েছে। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা কোনো ধরনের কাগুজে মুদ্রার ঝামেলা ছাড়াই দ্রুত ও নিরাপদে লেনদেন করতে পারবেন।
রাজশাহীর ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরে প্রধান অতিথি বলেন, এ অঞ্চলের কৃষিপণ্য, যেমন শাক-সবজি ও ফলমূল সরাসরি দুবাই বা সিঙ্গাপুরে রপ্তানির জন্য রাজশাহী বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ চলছে।
এছাড়া বিসিক সিল্ক শিল্পনগরী এবং ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা রয়েছে।
এ সময় তিনি ব্যাংকিং খাতের কর্মকর্তাদের সততা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে দেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজিজুর রহমান।
রাজশাহী অঞ্চলের পূবালী ব্যাংক পিএলসির উপমহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চলপ্রধান মো. সাজেদুর রহমান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আমজাদ হোসেন খাঁন, মোহাম্মদ আলী, মো. বায়েজীদ সরকার, মো. নাজিম উদ্দীন এবং মো. শাহ নওয়াজ খান।
এছাড়া পূবালী ব্যাংকের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে রাজশাহীতে পূবালী ব্যাংক পিএলসির ১৪টি ইলেকট্রনিক বুথের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে বাংলা কিউআর কোড তুলে দেন তিনি।
