ঈশ্বরদীতে টানা বৃষ্টিতে কাঁচা মরিচের দাম তিনগুণ, বিপাকে ক্রেতারা

প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬, ২৩:৪২ | অনলাইন সংস্করণ

  ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

টানা বৃষ্টিতে সরবরাহ সংকটের অজুহাতে পাবনার ঈশ্বরদীর বাজার ও বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামীণ হাট-বাজারে কাঁচা মরিচের দাম তিনগুণ বেড়েছে। এদিকে শহরের রাস্তাঘাট ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন হাট-বাজারে পানি জমে থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কেই ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এরই মধ্যে সরবরাহে সাময়িক বিঘ্ন ঘটায় সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ৮০ টাকা বেড়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) শহরের বাজার ও গ্রামীণ হাট-বাজার ঘুরে জানা যায়, উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের আরামবাড়ীয়া বাজারের সবজি বিক্রেতা খোকন আলী জানান, এক সপ্তাহ আগে এই বাজারে কাঁচা মরিচ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

টানা বৃষ্টিতে নিচু এলাকার জমিতে পানি জমে যাওয়ায় সরবরাহ সংকট দেখা দেয়। ফলে গত কয়েক দিন ধরে প্রতিদিনই কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ২০ টাকা করে বাড়তে থাকে। শনিবার কাঁচা মরিচ ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। রোববার বাজারে নীলফামারীর ডোমার থেকে আসা কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের আওতাপাড়া হাটের সবজি বিক্রেতা আক্কাস আলী বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে কাঁচা মরিচের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে হাটে কাঁচা মরিচের দাম তিনগুণ বেড়ে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

একই হাটের ক্রেতা আবেদ আলী বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে সরবরাহ ঘাটতির অজুহাতে কাঁচা মরিচের দাম তিনগুণ বেড়ে যাওয়ায় প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক পরিমাণ কিনতে হয়েছে।

এদিকে ৪০ টাকার কচু এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। ৫০ টাকার বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। তবে আলু, পেঁয়াজ, পটল, ঝিঙে, করলা, ঢ্যাঁড়শ ও শসার দাম স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে আলু ২৫ টাকা, পেঁয়াজ ৩৫ টাকা, পটল ৩০ টাকা, ঝিঙে ৩০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৩০ টাকা এবং শসা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কেবল কচু ও বেগুনের দাম কিছুটা বেড়েছে।

উপজেলার দাশুড়িয়া বাজারের সবজি ব্যবসায়ী তসলিম আলী জানান, আরও দু-একদিন টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে কাঁচা মরিচসহ অন্যান্য সবজির দামও বাড়তে পারে। বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় বর্তমানে কাঁচা মরিচের দাম তিনগুণ হয়েছে।