ভাঙ্গুড়ায় উদ্বোধনের ৪ বছর পরও অচল গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের মার্কেট
প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ২০:৪৯ | অনলাইন সংস্করণ
ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় খানমরিচ ইউনিয়নের ময়দানদিঘী বাজারে দোকান বরাদ্দ না দেওয়ায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের মার্কেটটি ছয় বছরেও চালু করা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে অত্যাধুনিক সুবিধাসংবলিত এই মার্কেটটি।
ফলে এর অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। অন্যদিকে প্রতিবছর রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
জানা গেছে, দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই উপজেলার ময়দানদিঘী বাজারে একটি অত্যাধুনিক দ্বিতল মার্কেট ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়। ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ভবনটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করে।
২০২০ সালে ভবনটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। এর প্রায় দেড় বছর পর ২০২২ সালে মার্কেট ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
আরও জানা যায়, ভবনটিতে ১৪টি দোকান রয়েছে। এর নিচতলায় কাঁচাবাজার, মাছ ও মাংসের দোকান এবং দোতলায় হার্ডওয়্যার, গার্মেন্টস ও কসমেটিকসসহ বিভিন্ন ধরনের দোকান বসার কথা রয়েছে।
এছাড়া মার্কেটটিতে পানি সরবরাহ ও টয়লেটের ব্যবস্থাও রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও দোকান বরাদ্দ না হওয়ায় এটি জনগণের কোনো কাজে আসছে না।
ময়দানদিঘী বাজারের ব্যবসায়ী আবুল হাশেম বলেন, “প্রায় ছয় বছর আগে এই মার্কেটটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়। কিন্তু দোকান বরাদ্দ না দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এটি তালাবদ্ধ রয়েছে। ফলে এর সুযোগ-সুবিধা থেকে স্থানীয়রা বঞ্চিত হচ্ছেন।”
স্থানীয় বাসিন্দা মানিক খান বলেন, “দেড় কোটি টাকার এই মার্কেট ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এটি বরাদ্দ দিয়ে দ্রুত চালু করা দরকার। এতে স্থানীয় লোকজন উপকৃত হবেন। পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আদায় হবে।”
খানমরিচ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন মিঠু বলেন, এ বিষয়ে ইউএনওর সঙ্গে তার কথা হয়েছে। সবাই বসে মার্কেটের দোকান বরাদ্দের বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুজ্জামান বলেন, মার্কেটটি চালু করতে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
