চুয়াডাঙ্গায় মাদকসহ নারীসহ ৪ জন আটক, একজন পলাতক
প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৩ | অনলাইন সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে অভিযান চলাকালে একজন আসামী পালিয়ে যায়। উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে ৭৫৫ গ্রাম গাঁজা, ৫ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং ২ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টা থেকে রাত পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর ও সদর থানা এলাকায় পৃথক এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপ-পরিদর্শক এস এম শাহিন আলম পারভেজের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল জীবননগর থানার সীমান্ত ইউনিয়নের গয়েশপুর মাঠপাড়া গ্রামে অভিযান চালায়। সেখানে আসামী মো. সরোয়ার হোসেন (চাড়ু) ও তার স্ত্রী মোছা. শুকিরন খাতুনের বসতঘরের শয়নকক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একটি শপিং ব্যাগে মোড়ানো ৭৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ হাজার টাকা।
অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে সরোয়ার হোসেন চাড়ু (৫৫) পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তার স্ত্রী মোছা. শুকিরন খাতুনকে (৪৫) ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় উপ-পরিদর্শক এস এম শাহিন আলম পারভেজ বাদী হয়ে জীবননগর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।
অন্যদিকে, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার বিভিন্ন এলাকায় জেলা প্রশাসনের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. আসিস মোমতাজ অভিযান পরিচালনা করে তিন মাদক কারবারিকে আটক করে সাজা প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন— মিয়ারবেলগাছি এলাকার মো. সাহাবুল হক (৪০), যাকে ৫ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক করে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। ইসলামপাড়ার মো. শাকিল হাসান (২৮), যাকে ৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
এছাড়া বড় মসজিদ পাড়ার বনি (৩৩), যাকে ২ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশনসহ আটক করে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের জিরো টলারেন্স নীতি অনুযায়ী নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
