ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগে পীরগঞ্জসহ ১৩ এলাকার লাখো গ্রাহক
প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১৭:১০ | অনলাইন সংস্করণ
পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি

রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর আওতাধীন ১৩টি সাব-জোনে তীব্র লোডশেডিং চলছে। দিন-রাত বারবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
সূত্র জানায়, রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ প্রতিষ্ঠার পর সমিতির আওতায় সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সমিতির সদর দপ্তরের পাশাপাশি পীরগঞ্জ, পীরগাছা, সাদুল্লাপুর, সুন্দরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় ১৩টি সাব-জোন স্থাপন করা হয়েছে।
সমিতির প্রধান কার্যালয়সহ এসব সাব-জোন থেকে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ গ্রাহকের মাঝে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করা হচ্ছে।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে সমিতির আওতায় তীব্র লোডশেডিং চলছে। লোডশেডিংয়ের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষ। বাসাবাড়ির নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
এ ছাড়া অফিসপাড়া, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্র শিল্পকারখানা এবং কৃষি কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাও বিঘ্নিত হচ্ছে।
একাধিক বিদ্যুৎ গ্রাহকের মতে, কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় দিনে একাধিকবার দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এদিকে রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষায় সম্ভাব্য লোডশেডিংয়ের সময়সূচি প্রকাশের কথা জানানো হলেও তা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বিদ্যুতের অপেক্ষায় অলস সময় কাটাতে হচ্ছে বিদ্যুৎনির্ভর কর্মজীবীদের।
সার্বিক এ পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের বিষয়ে বৃহস্পতিবার রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর জেনারেল ম্যানেজার আশরাফ উদ্দিন খান গণমাধ্যমকে বলেন, এ সমিতির আওতায় বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ১২০ মেগাওয়াট। অথচ সমিতি পাচ্ছে ৮৫ মেগাওয়াটেরও কম। এ কারণেই বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
