চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কাজীর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৩৯ | অনলাইন সংস্করণ

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় তালাকের কাগজপত্র ঠিক করতে গিয়ে এক তরুণীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে এক ধর্মীয় শিক্ষক ও কাজীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে তরুণীর ভাইসহ স্থানীয় কয়েকজন অভিযুক্তকে মারধর করেছেন বলে জানা গেছে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক এ অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত খন্দকার মনিরুজ্জামান হাসাদাহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক এবং স্থানীয় কাজী।

ভুক্তভোগীর ভাই জানান, তার বাবা বোনকে সঙ্গে নিয়ে তালাকসংক্রান্ত কাগজপত্র প্রস্তুত ও সমাধানের জন্য কাজী খন্দকার মনিরুজ্জামানের কাছে যান। এ সময় কাজী তরুণীকে উপরের ঘরে একা যেতে বলেন। অভিযোগ উঠেছে, সেখানে তিনি তরুণীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন।

বিষয়টি জানাজানি হলে পরদিন তরুণীর ভাইসহ কয়েকজন ক্ষুব্ধ হয়ে খন্দকার মনিরুজ্জামানকে মারধর করেন।

তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্লীলতাহানি বা মারধরের ঘটনার বিষয়ে কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে খন্দকার মনিরুজ্জামান বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা শ্লীলতাহানির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে।”

এ বিষয়ে হাসাদাহ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “ঘটনাটি স্কুল প্রাঙ্গণে বা স্কুল-সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে ঘটেনি। এটি প্রাঙ্গণের বাইরের বিষয়। তবে এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করব।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।