মাদকের দৌরাত্ম্য, সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের বাইরে পেলে আটকের হুঁশিয়ারি

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ২১:২০ | অনলাইন সংস্করণ

  নোয়াখালী প্রতিনিধি

‘মাদক থাকবে না হয় পুলিশ থাকবে’—এমন স্লোগানে মাদকবিরোধী অভিযান ও মাদকের বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেছেন, পুরোনো ঐতিহ্যের মতো শিক্ষার্থীদের সন্ধ্যার পর বাড়িতে থেকে লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান।

সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের বাইরে পেলে আটক করার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। পাশাপাশি বিকেলে খেলাধুলায় মনোনিবেশ করার আহ্বান জানান।

বুধবার বিকেলে নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের আয়োজনে জেলার সিভিল সোসাইটি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সংখ্যালঘু কমিউনিটি, শিক্ষক, ইমাম, আইনজীবী, চেম্বার অব কমার্সের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মাদক মহামারি থেকে রক্ষা পেতে রাষ্ট্রীয় পলিসি পরিবর্তন করতে হবে। ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব দিতে হবে। মূল থেকে মাদক নির্মূল করতে হলে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মতো রোগ নির্ণয় করতে হবে। রোগীর চিকিৎসা নয়, রোগের চিকিৎসা করতে হবে। তাহলে অনেকগুলো অর্গানকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

ডিআইজি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় আধুনিক সমাজব্যবস্থা গড়ার লক্ষ্যে মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, মাদক কারবারিসহ সহযোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। মাদকের বিষয়ে কোনো দলের ফোনের আশা পুলিশ করবে না বলেও জানান তিনি।

জেলা পুলিশ সুপার এন.এম. নাসিরদ্দিনের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হারুনুর রশিদ আজাদ, নোয়াখালী আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, জেলা জামায়াতের আমির ইসহাক খন্দকার, সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন, পিপি শাহাদাত হোসেন, বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামাক্ষা চন্দ দাস, জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ, নোয়াখালী টিভি সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মানিক ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

পরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে থেকে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও পথসভা বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে এসে শেষ হয়।