সরকারি ভাতার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, বিএনপি নেতাকে শোকজ

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩১ | অনলাইন সংস্করণ

  রংপুর ব্যুরো

রংপুরের কাউনিয়ার হারাগাছ পৌর এলাকায় সরকারি ভাতা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে হারাগাছ পৌর বিএনপি।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করে হারাগাছ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন দাজু বলেন, সরকারি ভাতা প্রদানের নামে দলীয় পরিচয়ে নেতার টাকা নেওয়া অপরাধ।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে হারাগাছ পৌর বিএনপির সভাপতি মোনায়েন হোসেন ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন দাজু স্বাক্ষরিত নোটিশে আগামী তিন দিনের মধ্যে তাকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

অভিযুক্ত ওই বিএনপি নেতার নাম সাইদুল ইসলাম রঞ্জু। তিনি হারাগাছ পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

নোটিশে বলা হয়েছে, হারাগাছ পৌর শহরের মোল্লাটারী জামে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে সরকারি ভাতা প্রদানে ওয়ার্ড সম্পাদক সাইদুল ইসলাম রঞ্জুর বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হলো।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করে হারাগাছ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন দাজু বলেন, সরকারি ভাতা প্রদানের নামে দলীয় পরিচয়ে নেতার টাকা নেওয়া অপরাধ। একটি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সরকারি ভাতা প্রদানের নামে তাদের কাছ থেকে সাইদুল ইসলাম রঞ্জুর টাকা নেওয়া ও ফেরত দেওয়ার একটি অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। বিষয়টি নজরে এলে পৌর বিএনপির নেতারা তদন্ত করেন। প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

মোল্লাটারী জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন নুর আমিন জানান, সরকারি ভাতার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিএনপি নেতা রঞ্জু তাদের তিনজনের কাছে ৩৪ হাজার টাকা চান। কথাবার্তার একপর্যায়ে ৩০ হাজার টাকা দিলে নাম তালিকায় দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রথমে ১৫ হাজার টাকা দেন এবং বাকি টাকা কয়েকদিন পরে দেবেন বলে জানান তারা। কিন্তু দলীয় পরিচয়ে টাকা নেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে তাদের পরদিন টাকা ফেরত দেন রঞ্জু।

তবে শোকজ পাওয়া সাইদুল ইসলাম রঞ্জুর দাবি, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।