গ্রামীণ জনপথ চলাচলে সুগম সৃষ্টি হয়েছে
সিরাজগঞ্জে ২১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এলজিইডির ২১ প্রকল্পের কাজ শেষ
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯:০৫ | অনলাইন সংস্করণ
এস,এম তফিজ উদ্দিন,সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জে এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর তত্বাবধানে প্রায় ২১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণসহ ২১টি বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। গ্রামীণ অবকাঠামোর এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ায় জন সাধারণের চলাচলে অনেকটাই সুগম সৃষ্টি হয়েছে। এলজিইডি’র সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ইসমাইল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আলোকিত বাংলাদেশকে জানান, ২০২৫-২৬ ইং অর্থবছরে এ জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন স্থনে গ্রামীণ অবকাঠামোর সড়ক মেরামত ও ব্রিজ কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প কাজে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ২১৯ কোটি ৮০ লাখ ৫৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে, পল্লী সড়ক মেরামত সড়ক, পল্লী সড়ক মেরামত কালভার্ট, জেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবতাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবতাঠামো উন্নয়ন ভবন, পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ নির্মাণ-১, পল্লী সড়কে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ নির্মাণ-২, বৃহত্তর পাবনা ও বগুড়া জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন-২, পরিছন্নতা কর্মীদের জন্য আবাসন নির্মাণ প্রকল্প, নন-মিউনিসিপ্যাল, নন-মিউনিসিপ্যাল কাচাবাজর, সার্বজনিন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, সারাদেশে পুকুর খাল উন্নয়ন, দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, অনুর্ধ্ব ১০০ মিটার সেতুনির্মাণ, টেকসই ক্ষুদ্রাকার পানিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প, রাজশাহী বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলার ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্থকরণ ও শক্তিশালী করণ শীর্ষক প্রকল্প, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প -৩- সড়ক, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প -৩- সেতু, গ্রামসড়ক পূর্নবাসন, প্রোগ্রাম ফর সাপোটিং ব্রীজ-প্রতিস্থাপন, প্রোগ্রাম ফর সাপোটিং ব্রীজ-মেরামত, ঘুর্ণিঝড় অম্পান ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পল্লী সড়ক অবকাঠামো পূর্নবাসন প্রকল্প, সমগ্র দেশে শহর ও ইউনিয়ন ভ’মি অফিস নির্মাণ প্রকল্প-২। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে উল্লেখিত মোট বরাদ্দ টাকা পৃথক পৃথক বরাদ্দ দেয়া হয়। এলজিইডি বিভাগ এসব প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে দরপত্র আহব্বান করে।
সরকারি বিধিমতে এ দরপত্রে ৭০টি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয় এবং যথাসময়ে প্রকল্প সমূহে কাজ শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নে উপকরণ সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এ কাজে অনেক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান হিমশিম খেতে বসে। তারপরেও এলজিইডি বিভাগের উপজেলা প্রকৌশলী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও অনান্য কর্মকর্তাদের তদারকিতে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করা হয়। এছাড়াও নির্বাহী প্রকৌশলী ও উর্ধতন কর্মকর্তারা যথাসময়ে প্রকল্প সমূহে পরিদর্শন করেন। গত জুন মাসের শেষ দিকে এসব প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে এবং প্রকল্প সমূহের অব্যয়িত ৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ইতিমধ্যেই ফেরত দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে এলজিইডি’র সিরাজগঞ্জ নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, যথাসময়ে প্রকল্প সমূহে উল্লেখিত টাকার কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ায় গ্রামীণ জনপথ চলাচলে অনেকটাই সুগম হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
