চুয়াডাঙ্গায় পৃথক ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৪
প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:০২ | অনলাইন সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গা সদর ও দামুড়হুদা উপজেলার পৃথক এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে দুপুর সাড়ে ১টা পর্যন্ত পৃথক এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—দামুড়হুদা উপজেলার কালিয়াবকরি গ্রামের মাদার মন্ডলের ছেলে লিটন (৩৮), তার স্ত্রী লিপা খাতুন (৩১), একই উপজেলার দর্শনা শান্তিপাড়া এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪০) এবং সদর উপজেলার আলুকদিয়া গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে নাসির উদ্দিন (৪২)।
পুলিশ ও নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার কালিয়াবকরি গ্রামের নিজ বাড়ির উঠানে গরুর জন্য ঘাস কাটার মেশিন দিয়ে ঘাস কাটছিলেন লিটন। এ সময় অসাবধানতাবশত তার হাত বিদ্যুতের তারে স্পর্শ হলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। লিটনের চিৎকার শুনে তার স্ত্রী লিপা খাতুন এগিয়ে এসে তাকে জড়িয়ে ধরলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার আলুকদিয়া গ্রামের ইজিবাইক চালক নাসির উদ্দিন নিজ বাড়িতে ইজিবাইকের ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের তারে হাত স্পর্শ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে একই দিন ভোরের দিকে দামুড়হুদা উপজেলার লোকনাথপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়া এলাকায় পানি তোলার মোটর চুরি করতে যান শফিকুল ইসলাম ওরফে বরুণ। মোটরটি লোহার শিকল দিয়ে বাঁধা ছিল। কাটার দিয়ে শিকল কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান ও দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, তদন্ত শেষে ঘটনাগুলোর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
