দুর্গাপুরে চণ্ডিগড় ইউনিয়নের নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় আতাউর রহমান
প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৩১ | অনলাইন সংস্করণ
দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

আসন্ন চণ্ডিগড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে ইতোমধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে মাঠে সক্রিয় হয়েছেন নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের সন্তান আলহাজ্ব মো. আতাউর রহমান। তিনি বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইউনিয়নবাসীর কাছে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন বলে জানা গেছে।
নোয়াগাঁও গ্রামের মো. ফজলুর রহমানের ছেলে আতাউর রহমান রাজনীতির পাশাপাশি একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিত। তিনি দীর্ঘদিন স্বেচ্ছাসেবক দল নেত্রকোনা জেলা শাখার সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততা এবং মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীদের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।
রাজনীতির মাঠে কঠিন সময়েও সক্রিয় থাকার অভিজ্ঞতাকে নিজের বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন আতাউর রহমান। দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বিরোধী রাজনীতির আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি মাঠে ছিলেন। এ সময় বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিতে গিয়ে গ্রেফতারও হয়েছেন বলে তিনি জানান। দলের প্রতিটি কর্মসূচি সফল করতে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজপথে সক্রিয় থাকার অভিজ্ঞতাকেই তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম পুঁজি হিসেবে দেখছেন।
তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গেও তাঁর দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে। বিশেষ করে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন তিনি।
রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করছেন বলেও জানান আতাউর রহমান।
চণ্ডিগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে আলহাজ্ব আতাউর রহমান বলেন, “দলের দুঃসময়ে নেতা-কর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। জনগণের ভালোবাসা ও তৃণমূলের সমর্থন পেলে চণ্ডিগড় ইউনিয়নকে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মাদকমুক্ত জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়াই হবে আমার অন্যতম অঙ্গীকার।”
তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা এবং তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মধ্য দিয়েই একটি আধুনিক ইউনিয়ন গড়ে তোলা সম্ভব।
আতাউর রহমান বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ড—এই চার বিষয়কে সামনে রেখেই চণ্ডিগড় ইউনিয়নের নির্বাচনী মাঠে নিজের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছেন তিনি।
দলীয় মনোনয়ন পেলে জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাকে সঙ্গে নিয়ে একটি দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক ও জনকল্যাণমুখী ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলতে চান তিনি।
