লংমার্চে কেউ কেউ বক্তব্য দিয়ে ‘বাঘ’ সাজতে চান: মানিক এমপি
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৩৭ | অনলাইন সংস্করণ
চাঁদপুর প্রতিনিধি

দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে চাঁদপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে জেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে মিছিলপূর্ব সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক।
সমাবেশে শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক বলেন, ‘আমাদের সমাবেশ দুর্বিসন্ধি প্রতিরোধের সমাবেশ। কেউ কেউ লংমার্চের বক্তব্য দিয়ে “এক বনের এক বাঘ” সাজতে চান। একেক জায়গায় একেক ধরনের বক্তব্য দিয়ে স্বঘোষিত “নানা”-র জন্ম হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এ বাংলাদেশে কোনো নিষিদ্ধ ঘোষিত নেতার জায়গা হবে না।’ চাঁদপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের মিছিলে যারা যোগ দিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা এখনো ‘বোকার স্বর্গে’ বাস করছেন।
মানিক আরও বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ও এ ধরনের দাবির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে যা করার প্রয়োজন, তা করা হবে।
জেলা যুবদলের সভাপতি মানিকুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে সমাবেশ সঞ্চালনা করেন জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন খান আকাশ ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সিনিয়র শামছুল আরেফিন খান।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সলিম উল্যা সেলিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মাসুদুর রহমান মাঝি, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক শাহাজাহান কবির খোকা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শামছুল আলম সূর্য, সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান খান কাজল, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু হানিফ কাকন এবং পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সফি উদ্দিন বাবলু।
এ সময় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হারুনুর রশীদ, সিনিয়র সহসভাপতি আফজাল হোসেন বেপারী, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ উদ্দিন পলাশ, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বাহার, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন পাটওয়ারী ও সদস্য সচিব জিয়াউর রহমান সোহাগসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশ শেষে জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।
