সিরাজগঞ্জে মাত্র ২ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক পাকা না করায় চরম ভোগান্তি

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:৩৫ | অনলাইন সংস্করণ

  এস, এম তফিজ উদ্দিন, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার চর এলাকার পীরগাছা গ্রামের মাত্র প্রায় ২ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক পাকা না করায় চরবাসী চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনকে এ দূর্ভোগের বিষয়ে অবহিত করেও কাজে আসেনি। এ কারণে ওই গ্রামসহ আশপাশ গ্রামের বহু লোকজন এ দূর্ভোগের কবলে পড়েছে দীর্ঘদিন ধরে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উক্ত চরাঞ্চলের খাসরাজবাড়ী ইউনিয়নের ওই গ্রাম থেকে খাসরাজবাড়ি বাজার পর্যন্ত প্রায় ২ কিঃ মিটার কাঁচা সড়ক রয়েছে। এ সড়ক মেরামত ও পাকাকরণ না করায় এলাকাবসীর এ দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। সামান্য বৃষ্টি হলেই এ কাঁচা সড়কে যোগাযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ চরম দূর্ভোগে পড়তে হচ্ছে এবং আধা ঘন্টার সড়ক যোগাযোগে প্রায় ২ ঘন্টা সময় লাগে বিভিন্ন পেশার মানুষ কর্মস্থলে পৌছতে। এছাড়া ভারী বৃষ্টিপাতে এ সড়কে কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যায়। এতে সেসময় চরবাসীর এ সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় একেবারে। অভিযোগ রয়েছে, পীরগাছা গ্রামে পীরগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাসরাজবাড়ী দাখিল মাদ্রাসা, স্থানীয় বাজার ও মসজিদসহ বিভিন্ন গ্রাম রয়েছে এ চরে এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে এ কাঁচা সড়ক দিয়েই প্রতিদিন জনসাধারণ যাতায়াত করতে হয়। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এ কাঁচা সড়ক পাকা না করায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ দূর্ভোগ লাঘবে স্থানীয়রা একাধিকবার উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেও কাজে আসেনি এখনও। স্থানীয়রা বলছেন, মাত্র ২ কিঃ মিটার সড়ক পাকা না করায় দীর্ঘদিন ধরে এ দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। খাসরাজবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়, পাশাপাশি গ্রাম ও কয়েকটি হাট-বাজারও রয়েছে। এ জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক দিয়ে সময়মতো কৃষি উৎপাদিত পণ্য, মালামাল বাজারে নিতে পারছেনা স্থানীয়রা। এতে বাড়তি পরিবহন খরচ গুনতে গিয়ে তারা আর্থিক লোকসানের মুখে পড়ছেন এবং চরবাসীর কোনো জরুরি রোগী দ্রুত হাসপাতালে নিতে পারছেনা।

এ সম্পর্কে পীরগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের। বর্ষা মৌসুমে কাদা পেরিয়ে কোমলমতি শিশুদের বিদ্যালয়ে যেতে হয়। অনেক সময় পোশাক ও বইখাতা কাদা লেগে নষ্ট হয়ে যায় এবং এ কাঁচা সড়কে মাঝেমধ্যে ছোটখাট দূর্ঘটনাও ঘটে। এ বিষয়ে এলজিইডি’র নির্বার্হী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, এ রাস্তা পাকাকরণের বিষয়ে ইতিমধ্যেই উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগ নজরে নিয়েছে এবং যথাসময়ে প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হবে। অনুমোদন পাওয়া গেলে সরকারি বিধিমতে এ সড়ক পাকাকরণের কাজ করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।