মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা, বাদী ও সাক্ষীর ৩ বছরের কারাদণ্ড
প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:০২ | অনলাইন সংস্করণ
ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরে মিথ্যা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দায়েরের দায়ে মামলার বাদী রিনা আক্তার (৩৫) এবং তার স্বামী ও মামলার ১ নম্বর সাক্ষী মাসুদ বেপারীকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষে এ রায় দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা মামলাটির নম্বর ৫৬/২৫। মামলার বাদী রিনা আক্তার (৩৫) সদরপুর উপজেলার ঢেউখালি ইউনিয়নের ওয়াজ হাওলাদারের ডাঙ্গী এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় গৃহকর্মী।
মামলার অভিযোগে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট ও ৩ সেপ্টেম্বরের পৃথক দুটি ঘটনাকে উল্লেখ করা হয়।
বুধবার মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। এদিন বাদী রিনা আক্তার ও মামলার ১ নম্বর সাক্ষী মাসুদ বেপারী আদালতে সাক্ষ্য দেন। তাদের জবানবন্দি গ্রহণের পর আসামিপক্ষের আইনজীবী জেরা করেন।
জেরার সময় সাক্ষীদের বক্তব্যে মামলার অভিযোগের সঙ্গে অসঙ্গতি ধরা পড়ে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবী মামলাসংক্রান্ত কয়েকটি কাগজপত্র আদালতে দাখিল করেন।
সাক্ষ্য, জেরা ও দাখিল করা কাগজপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত মামলাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীনভাবে দায়ের করা হয়েছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছান। এরপর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭ ধারায় মিথ্যা মামলা দায়েরের অপরাধে বাদী রিনা আক্তার, তার স্বামী ও মামলার ১ নম্বর সাক্ষী মাসুদ বেপারীকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্তদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে আদালতের আদেশ অনুযায়ী তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালতের রায়ের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ সংশ্লিষ্ট নথি ও আদেশের কপি থেকে জানা যাবে।
