বরগুনায় ৪০০ উপকারভোগীর মাঝে ডিএফইডির ১২০০ গাছের চারা বিতরণ

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:০৭ | অনলাইন সংস্করণ

  বরগুনা প্রতিনিধি

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে বরগুনায় ৪০০ জন উপকারভোগীর মাঝে ১২০০টি ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা এবং ৭২০০ ফুট নেট বিতরণ করেছে ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (ডিএফইডি)।

১৭ অক্টোবর বরগুনা সদর উপজেলার ডিএফইডির বরগুনা সদর ও কদমতলা ব্রাঞ্চ অফিসের মাইক্রোফিন্যান্স কর্মসূচির সদস্যদের মধ্যে এসব চারা ও নেট বিতরণ করা হয়। বিতরণ করা চারার মধ্যে রয়েছে ৪০০টি আম, ৪০০টি জলপাই ও ৪০০টি নিমের চারা। প্রত্যেক উপকারভোগীকে তিনটি চারা এবং ৭২ ফুট নেট দেওয়া হয়।
ডিএফইডি গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের অর্থায়নে পিকেএসএফের ‘জবংরষরবহঃ ঐড়সবংঃবধফ ধহফ খরাবষরযড়ড়ফ ঝঁঢ়ঢ়ড়ৎঃ ঃড় ঃযব ঠঁষহবৎধনষব ঈড়ধংঃধষ চবড়ঢ়ষব ড়ভ ইধহমষধফবংয (জঐখ)’ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএফইডির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) মো. আব্দুর রহিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষিবিদ মো. নিয়ামুল কবীর, কো-অর্ডিনেটর (কৃষি) ও জঐখ প্রকল্পের ফোকাল পারসন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জোনের জোনাল ম্যানেজার খন্দকার আবুল বাশার, বরগুনা এরিয়ার এরিয়া ম্যানেজার বিপ্লব কুমার বাছার, বরগুনা সদর ব্রাঞ্চের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মো. রাসেল মিয়া এবং জঐখ প্রকল্পের বরগুনার প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. আমিনুল হক। এ ছাড়া প্রকল্প ও মাইক্রোফিন্যান্স কর্মসূচির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং উপকারভোগীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আব্দুর রহিম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। শুধু চারা রোপণ করলেই হবে না, গাছগুলো বাঁচিয়ে রাখতে যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি সবুজ বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথি কৃষিবিদ মো. নিয়ামুল কবীর বলেন, বৃক্ষরোপণ বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাস, কার্বন নিঃসরণ কমানো, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ সহায়ক হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৭ মার্চ থেকে বরগুনা সদর উপজেলার আটটি ইউনিয়নে জঐখ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির মাধ্যমে ২৬৬৬ জন অতিদরিদ্র মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হবেন। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগীদের মধ্যে মোট ৬৫০০টি ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে।