৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক বললেন খুলনার সাংবাদিকবৃন্দ

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১৮:২৩ | অনলাইন সংস্করণ

  খুলনা ব্যুরো

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের ভিত্তি রচিত হয় বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। তারা বলেন, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন ভূখণ্ড লাভ করলেও রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐক্য গড়ে ওঠেনি। পুরো জাতিকে বিভাজনের দিকে ঠেলে দিয়ে একদলীয় শাসনের মাধ্যমে স্বৈরাচারী ব্যবস্থা কায়েম করা হয়েছিল।

বক্তারা বলেন, বিদেশি আধিপত্যবাদীদের মদদে পর্দার আড়ালে ষড়যন্ত্র চলছিল। দেশে একের পর এক সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দী করা হয়। কিন্তু দেশপ্রেমিক সিপাহিরা সেদিন বিদ্রোহ ঘোষণা করে তাকে মুক্ত করেন এবং জাতীয় বিপ্লব ও সংহতির অভ্যুত্থান ঘটান। এ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি রচিত হয়। প্রতিষ্ঠিত হয় গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা।

তারা আরও বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। যারা এ দিনটিকে অস্বীকার করে, তারা জাতিকে বিভাজন করতে চায়। তারা দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারী। সময় এসেছে তাদের প্রতিহত করার। নেতৃবৃন্দ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান।

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন এমইউজে সভাপতি আলহাজ মুহাম্মদ আবু তৈয়ব। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম শামিমুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরিচালক গাজী আলাউদ্দিন আহমদ।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন খুলনা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি সোহরাব হোসেন, দৈনিক জন্মভূমির নির্বাহী সম্পাদক সরদার আবু তাহের, বার্তা সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত রুমি, খুলনা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন সজল, এমইউজের সহসাধারণ সম্পাদক ফকির শহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ রাজু আহমেদ, ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক খাইরুল আলম, নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান ও রামিম চৌধুরী এবং দৈনিক কালবেলার ব্যুরো প্রধান নুরুল আমিন নুর।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এমইউজের সদস্য মো. আনিস উদ্দিন, শেখ আঃ গফ্ফার, শেখ বদর উদ্দিন, আজিজুল ইসলাম, আরাফাত হোসেন অনিক, মাসুদ আল হাসান, আহসানুল আমীন জর্জ, এম রোমানিয়া, এইচ এম সাগর, এস এম ইসলাম আলী, এম সাইফুল ইসলাম, আবু বক্কর, শেখ আকবর আলী মোল্লা, শেখ রফিকুল ইসলাম, মো. জাফর ইকবাল, উম্মে উমামা রাত্রী, কনিকা আক্তার কাকন, আহম্মদ হুসাইন প্রমুখ।