ফরিদপুরে ৪১ কেজি গাঁজা ও ৭১ বোতল সিরাপসহ গ্রেপ্তার ২
প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৫ | অনলাইন সংস্করণ
ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পৃথক দুটি অভিযানে ৪১ কেজি গাঁজা ও ৭১ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১০। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান, নগদ ৩২ হাজার ৮৫ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা-বরিশাল ও খুলনা-ঢাকা মহাসড়কে ভাঙ্গা টোল প্লাজার দুই পাশে পৃথক চেকপোস্টে তল্লাশি চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি-১০-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তপন সরকার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসআরবি-১০-এর সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে ভাঙ্গা টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসায়। এ সময় একটি কাভার্ড ভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে ৪১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় মো. মাইনুল ইসলাম (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার পৈকখালী গ্রামের মো. রফেস মীরের ছেলে। তার কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৩১ হাজার ১৮৫ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত কাভার্ড ভ্যানটিও জব্দ করে অভিযানকারী দল।
অন্যদিকে, একই দিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে ভাঙ্গা টোল প্লাজার পূর্ব পাশে খুলনা-ঢাকা মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় ৭১ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপ উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ লাখ ১৩ হাজার টাকা।
এ ঘটনায় মো. আলী হোসেন (৫৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কোলকাতা ভোগদীয়া গ্রামের মৃত হাসেম ভূঁইয়ার ছেলে। তার কাছ থেকে ৯০০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
এসআরবি-১০-এর দাবি, গ্রেপ্তার দুজন দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে গাঁজা ও উইনসেরেক্স সিরাপসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সংগ্রহ করে ফরিদপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিলেন।
উদ্ধার করা মাদকসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে এসআরবি-১০।
