অনলাইন সংস্করণ
১৯:৫৮, ২৪ মে, ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ১ জুন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার (২৪ মে) বিকেলে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন।
এর আগে, এদিন দুপুরে এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট জমা দেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে মামলাটি বিচারের জন্য বদলির আদেশ দেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হলে স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজেদের রুমে নিয়ে যায়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে যাওয়ার জন্য মেয়েকে খুঁজতে থাকেন তার মা। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অভিযুক্তদের কক্ষের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তিনি।
পরে ডাকাডাকির পরও ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে কক্ষে প্রবেশ করেন। এসময় শয়নকক্ষের মেঝেতে শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার মাথা একটি বড় বালতির ভেতরে রাখা ছিল। খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্না আক্তারকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার পরদিন বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারের দিনই আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় সোহেল রানা। জবানবন্দিতে সে জানায়, ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিল।