চুয়াডাঙ্গায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, গ্রেপ্তার ৩
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৬:২৬ | অনলাইন সংস্করণ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ১৫ বছর বয়সের এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।
বুধবার দিবাগত রাতে কুন্দিপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুন্দিপুর গ্রামের কাদের ব্যাপারীর ছেলে আব্দুল আলী (৪৫) একই এলাকার মন্ডল পাড়ার হোসেন আলীর ছেলে জনি হোসেন (২১) ও আবদুল কাদেরের ছেলে পলাশ আলী (২০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল বিকেলে ওই কিশোরী ছাগল আনার জন্য মাঠে যায়। এসময় পলাতক আসামি মিরাজ ওই কিশোরীকে মুখ চেপে ধরে ভুট্টা ক্ষেতের মধ্যে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পলাশ নামে অপর আসামি ধর্ষণের ঘটনাটি তার মোবাইলে রেকর্ড করে। অভিযুক্ত জনি তাদেরকে ভুট্টা ক্ষেতের বাইরে পাহারা দেয়।
পরে সংঘবদ্ধ ওই ধর্ষকরা কিশোরীকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে বলে, ‘এই কথা কাউকে বললে এই ভিডিওটি নেটে ছড়িয়ে দিয়ে ভাইরাল করে দেওয়া হবে।’ কয়েকদিন পর আসামিদের মোবাইল থেকে ধর্ষণের ওই ভিডিওটি বিভিন্ন মানুষের মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর পরিবার বিষয়টি জানতে পারলে, আসামি পলাশ ভিডিওটি সরিয়ে ফেলতে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। অপর আসামি আব্দুল আলী আবার সামাজিকভাবে মীমাংসাসহ ভিডিও সরাতে ৫ হাজার টাকা দাবি করেন।
ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হবে একই সাথে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হব।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মিরাজকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
