পদ্মা সেতুতে টোল থেকে আয় ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩:২৩ | অনলাইন সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন পদ্মা সেতু টোল আদায়ের ক্ষেত্রে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। উদ্বোধনের পর থেকে আজ পর্যন্ত সেতুটি থেকে সংগৃহীত মোট টোলের পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। 

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগের বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ২৫ জুন উদ্বোধনের পর থেকে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিতকারী এই সেতুটি দিয়ে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা এবং রাজস্ব আদায় ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে।

সেতুটি চালুর ফলে যাতায়াতের সময় সাশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং শিল্পজাত পণ্য পরিবহনে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের বিশেষ দিকনির্দেশনায় এবং সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানের ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে—দাবি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

এতে বলা হয়েছে, পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে (মাওয়া ও জাজিরা) স্থাপিত অত্যাধুনিক ইটিসি পদ্ধতি টোল আদায় কার্যক্রমকে বেগবান করেছে, এতে যানবাহনকে টোল প্লাজায় দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না, ফলে সময় বাঁচে। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআরডি) কার্ডের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল আদায়ের ফলে যাতায়াত আরও দ্রুত ও সহজতর হয়েছে। জনগণের নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতা ও ডিজিটাল টোল সিস্টেমের আধুনিকায়নের ফলেই এই সাফল্য দ্রুত অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, পদ্মা সেতুর টোল আদায়ের এ মাইলফলক অর্জনের জন্য গাড়ির মালিক, চালক, শ্রমিক, সেতুর দুই পাড়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সেতুর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট অপারেটর, সাইট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেতু সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

 

আবা/এসআর/২৫