বাজারে মাছ-মাংসের দামে স্থিতি, মুরগিতে সামান্য স্বস্তি

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:২২ | অনলাইন সংস্করণ

পবিত্র মাহে রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহে মাছ, ব্রয়লার মুরগি ও গরুর মাংসের দামে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। বাজারে দুই শত টাকার নিচে কোনো মাছ নেই। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং গরুর মাংসের দাম রয়েছে ৮০০ টাকা কেজি দরে। তবে রমজানের প্রথম সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল, ধানমন্ডি ও রায়েরবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায়, যেখানে গত সপ্তাহে এর দাম ছিল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। একইভাবে সোনালি জাতের মুরগির দামও কমেছে। এই জাতের মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০০ টাকায়, যা সপ্তাহখানেক আগে ছিল ৩২০ টাকা। গরুর মাংসের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৮০০ টাকায়, যা গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, পাঙ্গাস কেজিপ্রতি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, মৃগেল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৫০ টাকা, বেলে ২৫০ টাকা, বাইন ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, কই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা ও টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ির দাম তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে।

আকার ও জাতভেদে এই মাছ কিনতে কেজিতে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে।

বাজারগুলোতে সরেজমিনে দেখা গেছে, গরু ও মুরগির তুলনায় মাছের বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। অনেকেই দাম জেনে মাছ না কিনে ফিরে যাচ্ছেন। তবে মাছের তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম কম বলে মনে করছেন ক্রেতারা। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, সামগ্রিকভাবে ক্রেতার সংখ্যা কিছুটা কম।

রায়েরবাজার এলাকার এক মুরগি ব্যবসায়ী জানান, বাজারে এখন ব্রয়লার মুরগির সংকট কমেছে এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দামও কমেছে। ব্রয়লার মুরগির এক ক্রেতা বলেন, আজ তিনি ১৭৫ টাকা কেজি দরে ব্রয়লার মুরগি কিনেছেন। প্রথম রোজার দিন তাকে কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় মুরগি কিনতে হয়েছিল।