বাজারে মুরগির দাম চড়া, গরু-খাসি অপরিবর্তিত
প্রকাশ : ২৭ মার্চ ২০২৬, ১৭:৪৭ | অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীর বাজারে ঈদের পর ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কমলেও অন্যান্য জাতের মুরগির দাম এখনো উচ্চ অবস্থানে রয়েছে। একই সময়ে গরু ও খাসির মাংসের দামে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর উত্তরার সমবায় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে লেয়ার ৩২০ টাকা, সোনালী ৩৬০ টাকা এবং পাকিস্তানি কক ৩৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে দেশি মুরগির দাম ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজির মধ্যে রয়েছে।
বিক্রেতাদের মতে, বাজারে ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় এর দাম কমেছে। তবে অন্যান্য মুরগির সরবরাহ কম থাকায় সেগুলোর দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে।
মাংসের বাজারে গরুর মাংস মানভেদে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি।
মাছের বাজারে সরবরাহ কিছুটা কম থাকলেও দামে বড় ধরনের ওঠানামা নেই। রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা, কাতলা ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৮০ টাকা এবং পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিং ও মাগুর ৫৫০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং বোয়াল ও চিতলের মতো বড় মাছ ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া অন্যান্য মাছের মধ্যে ছোট চিংড়ি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, কাঁচকি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, মলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং গলদা চিংড়ি ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে, সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে চাল, আটা ও পেঁয়াজসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম কমেছে। মোটা চালের দাম কমে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজিতে নেমেছে এবং প্যাকেটজাত আটা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
টিসিবির তথ্যে আরও জানা যায়, দেশি পেঁয়াজের দাম কমে ৩০ থেকে ৪৫ টাকায় নেমেছে। পাশাপাশি রসুন ও আদার দামও কিছুটা কমেছে। সবজির মধ্যে কাঁচামরিচের দাম সবচেয়ে বেশি কমে ৬০ থেকে ৮০ টাকায় এসেছে।
তবে ডালের বাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। ছোট দানার মশুর ডালের দাম কিছুটা কমলেও বড় দানার ডালের দাম বেড়েছে। আর ভোজ্যতেলের দাম নতুন করে না বাড়লেও আগের তুলনায় কিছুটা বেশি অবস্থানে রয়েছে।
