ঈদের আগে শনিবারও খোলা থাকবে ব্যাংক

প্রকাশ : ২২ মে ২০২৬, ১২:৪৬ | অনলাইন সংস্করণ

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি উপলক্ষে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ফলে ঈদের আগে ব্যাংক খোলা থাকবে মাত্র দুই দিন। এর মধ্যে আগামী শনিবার (২৩ মে) ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু থাকবে। ওইদিন লেনদেনও চলবে নিয়মিত সময়সূচি অনুযায়ী। পাশাপাশি রোববারও ব্যাংক খোলা থাকবে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধায়ক তথ্য ব্যবস্থাপনা ও বিশ্লেষণ বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের ধারাবাহিকতায় ২৩ মে শনিবার ও ২৪ মে রোববার তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা ও উপশাখা স্বাভাবিক সময়সূচিতে খোলা থাকবে। এরপর ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে।

তবে ঈদের আগে তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতা পরিশোধ এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে কিছু এলাকায় সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা রাখা হবে।

ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখাগুলোতে ২৫ ও ২৬ মে সীমিত আকারে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

এই দুই দিনে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অফিস সময় হবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। গ্রাহক লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

এ সময় বাংলাদেশ স্বয়ংক্রিয় চেক নিষ্পত্তি ব্যবস্থা এবং তাৎক্ষণিক আন্তঃব্যাংক লেনদেন ব্যবস্থার কার্যক্রমও বিশেষ সময়সূচিতে পরিচালিত হবে। পাশাপাশি ইলেকট্রনিক তহবিল স্থানান্তরের তিনটি অধিবেশন আগের সময়সূচি অনুযায়ী চলবে।

২৫ ও ২৬ মে তাৎক্ষণিক আন্তঃব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে গ্রাহকরা সকাল ১০টা থেকে দুপুর পৌনে ১টা পর্যন্ত অর্থ লেনদেন করতে পারবেন। আন্তঃব্যাংক তহবিল স্থানান্তর ও ফেরত কার্যক্রম চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

এছাড়া উচ্চমূল্যের চেক নিষ্পত্তির জন্য সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে চেক পাঠাতে হবে এবং সেগুলোর নিষ্পত্তি হবে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে। সাধারণ চেকের ক্ষেত্রে দুপুর ১২টার মধ্যে পাঠাতে হবে এবং নিষ্পত্তি হবে দুপুর ১টার মধ্যে।

সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা, উপশাখা ও বুথগুলো সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার আগের নির্দেশনাও বহাল থাকবে। ঈদের দিন ছাড়া ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ছুটির মধ্যেও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সীমিত আকারে চালিয়ে যেতে হবে।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন, বন্দর ও শুল্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ছুটির দিনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিধি অনুযায়ী অতিরিক্ত ভাতা পাবেন।