১৮ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে রাকসুর গণ-ইফতার

প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০২৬, ২০:৪৩ | অনলাইন সংস্করণ

  রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও হল সংসদের উদ্যোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীদের নিয়ে গণ-ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে ছাত্রদের এবং শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ছাত্রীদের জন্য পৃথকভাবে এ ইফতারের আয়োজন করা হয়। 

এ আয়োজনের মুসলিম শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্যও আয়োজন ছিল। 

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘আজকের এই গণ-ইফতার আয়োজন শুধুমাত্র মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য নয়; সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্যও আলাদাভাবে ইফতারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রায় ১৮ হাজারের অধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছি। আশা করছি, পুরো আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। তবে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে খাবারের স্বল্পতা দেখা দিলে আগাম ক্ষমা প্রার্থনা করছি। সবাই যেন পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভাগাভাগির মাধ্যমে সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

গণ-ইফতারের ফান্ডিং প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) উদ্যোগে এটাই প্রথম এত বড় পরিসরে আয়োজন। প্রস্তুতির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলাদা আলাদা টিম কাজ করেছে। তবে ফান্ডিং সংক্রান্ত বিস্তারিত বিষয়ে রাকসু ভিপি আরও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।’

সম্প্রীতির মেলবন্ধন তৈরির আহ্বান জানিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘রাকসুর পক্ষ থেকে আমরা ক্যাম্পাসে সহমর্মিতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চেয়েছি। সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ১৮ হাজারের অধিক শিক্ষার্থীর একসঙ্গে ইফতারে অংশগ্রহণ সত্যিই অনন্য ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা রাখি।’

ফান্ডিংয়ের বিষয়ে তিনি জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও রাকসুপ্রেমী ভাইয়েরাই এই আয়োজন বাস্তবায়নে সহায়তা করেছেন। সংগৃহীত অর্থের প্রায় পুরোটা ইফতারের ব্যয়েই খরচ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল প্রশাসনের আয়োজিত গণ-ইফতারে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের আগ্রহ আমরা লক্ষ্য করেছি। সকল শিক্ষার্থীর মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করার লক্ষ্যে মুসলিম শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের মুগ্ধ করেছে এবং আশাবাদী করেছে।’