২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বরে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:৩৭ | অনলাইন সংস্করণ

  আলোকিত ডেস্ক

সেশনজট নিরসনে ২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একইভাবে ২০২৭ সালের উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষাও এগিয়ে আনার কথা জানান তিনি।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি নীতিমালা নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এহছানুল হক মিলন বলেন, গত বছর জুনের শেষে পরীক্ষা শুরু হয়েছিল এইচএসসি পরীক্ষা, রেজাল্ট হয়েছিল অক্টোবরের মাঝামাঝি। তাদের ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। ম্যাটার অব ফ্যাক্ট আজকে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্ডারে অনার্স এডমিশনের পরীক্ষাগুলো হচ্ছে। এই যে প্রত্যেকটা ছাত্রছাত্রীর শুধু এডমিশন টেস্ট, ভর্তি হওয়া নিয়ে এই এক বছরের মতো অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছে এবং সেশনজট ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। এটাকে আমরা স্কুইজ করে সমন্বয় করার জন্য আমরা চাইব যে প্রত্যেকটা সিলেবাস কারিকুলাম শেষ হওয়ার সাথে সাথেই যেন পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হয়। এবং তার পরপরই যেন অ্যাডমিশন টেস্টগুলো হয়ে যায়।

তিনি বলেন, আমরা চাচ্ছি না যে ওই একটি বিরাট গ্যাপ নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা তাদের লেখাপড়ার ব্যাঘাত ঘটুক। এটা আমরা সমন্বয় করার জন্য কাজ করছি পরিবর্তনের। ডিটেলস পরে জানানো হবে। এটা নিয়ে আমরা প্রতিদিনই কাজ করছি ডিটেলস।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, টার্গেট করছি- দুই বছরের লেখাপড়া দুই বছরে শেষ হতে হবে এবং এখানে কোনো সেশনজট যেন না হয়। সেভাবে আমরা সবকিছু অ্যাডজাস্ট করার চেষ্টা করছি, যেন কোনো ছাত্রছাত্রী জীবন থেকে সেশন জটের কারণে বা বোর্ড পরীক্ষা নিবে- এই কারণে তাদের জীবন থেকে এক বছর, দুই বছর যেন ঝরে না পড়ে।

তিনি বলেন, আমরা ধরে নিচ্ছি যে ডিসেম্বর ইজ অ্যান্ড অফ ইয়ার পরীক্ষার মাস। এর মধ্যেই আমাদের সিলেবাস শেষ করা- এটা আমাদের টার্গেট রয়েছে এবং তার পরপরই যেন অ্যাডমিশন টেস্ট চলে যায় অর্থাৎ কোনো গ্যাপ যেন না থাকে এবং তাদের যেন এই বিনা কারণে কোচিং সেন্টারে যাওয়া এগুলো যেন না হয় অর্থাৎ রেজাল্ট শেষ, পরীক্ষা শেষ, রেজাল্ট অ্যান্ড নেক্সট অ্যাডমিশন। এই সমন্বয়টা ইউনিভার্সিটিগুলোর সাথেও আমাদের করতে হবে। আমরা সেই জায়গায় যাচ্ছি।

এহছানুল হক মিলন বলেন, দুই বছরের পড়ালেখা দুই বছরে শেষ হতে হবে। এটা যেন কোনো অবস্থাতেই অন্য কারোর জন্য মানে ইউনিভার্সিটির সাথে আমাদের যেন মিসকমিউনিকেশনের জন্য ছাত্রছাত্রীদের অথবা বোর্ডের অবহেলার কারণে বা তাদের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কোনো কারণে যেন আমাদের এই ছাত্রছাত্রীরা যেন ক্ষতি না হয় লেখাপড়ায় এবং সবসময় এই জিনিসটাকে টার্গেট করে আমরা কাজে এগচ্ছি।