ক্যাম্পাস অস্থিতিশীলকারীদেরকে ইবি বৈছাআর লাল কার্ড

প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৭:০৭ | অনলাইন সংস্করণ

  ইবি প্রতিনিধি

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে সহিংসতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে লাল কার্ড প্রদর্শন কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে মানববন্ধনের মাধ্যমে এ লাল কার্ড প্রদর্শন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

এসময় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তুলে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনকেও লাল কার্ড প্রদর্শন করে সংগঠনটি। 

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক গোলাম রব্বানী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পংকজ রায়, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মুবাশ্বির আমিন ও যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাসসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

তারা ক্যাম্পাসে পরিকল্পিত সহিংসতা উসকে দেওয়ার প্রতিবাদ, নেপথ্যে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের আইনের আওতায় আনা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকরণের দাবি জানান। 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একাধিক সংগঠন দ্বারা ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করা হচ্ছে। তারা একসময় বিড়াল ছিল এখন বাঘ হয়ে বিভিন্ন অফিস থেকে চাঁদাবাজি করছে। তাদের জন্য ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। বর্তমান সময়ে শাহবাগ থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় মব সৃষ্টি করছে তারা। তাদের এই নোংরা রাজনীতিকে আমরা লাল কার্ড প্রদর্শন করছি।

তারা আরো বলেন, আমরা চেয়েছিলাম জুলাই পরবর্তী দেশ হবে সবার জন্য স্বাধীন। কিন্তু তার বিপরীত হচ্ছে। তারা জুলাই আহতদের এবং শহিদদের আকাঙ্ক্ষা বিনষ্ট করছে। ক্ষমতায় আসার তিন মাসের মধ্যেই সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এটাই কি আপনাদের প্লানের অংশ ছিল? এটাই যদি আপনাদের প্ল্যান হয় তবে হাসিনাকে তাড়াতে ৩৬ দিন লেগেছিল কিন্তু আপনাদের লন্ডন পাঠাতে ৩৬ ঘন্টাও লাগবে না।

সংগঠনটির মুখ্য সংগঠক গোলাম রব্বানী বলেন, সারা দেশে প্রশ্নফাঁস নিয়ে আলোচনার মধ্যেও শিক্ষামন্ত্রী একে গুজব বলছেন। যদি তা-ই হয়, তাহলে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলো কেন? অতীতে এমন অক্ষমতা ঢাকতে গুজবের তকমা দেওয়া হয়েছে। আমরা সতর্ক করছি এই ধারা চললে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

তিনি আরো বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ছাত্র সংগঠন যেই ছাত্র সংগঠনের নেতারা বারবার সংসদে বলেন যে আমরা দেশে ‘মব’ করতে দেব না। কিন্তু আমরা দেখেছি তারা সরকারের উসকানিতে থানার সামনে মব তৈরি করেছে। তারা মব তৈরি করে এটাকে গুজব বলেছে এবং তারা আবার নিজেরাই শেল্টার দিয়ে বলেছে আমরা মব চাইনি।