কুবির শিক্ষকদের ৫ গবেষণাপত্র প্রত্যাহার; যা বলছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা

প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৪৬ | অনলাইন সংস্করণ

  কুবি প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পাঁচজন শিক্ষকের মোট পাঁচটি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নাল থেকে প্রত্যাহার (রিট্র্যাক্ট) করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট গবেষকরা তাঁদের অবস্থান ও ব্যাখ্যা তুলে ধরে দাবি করেছেন, প্রত্যাহার হওয়া সব গবেষণাপত্রই গবেষণা-অসদাচরণ বা জালিয়াতির কারণে নয়; বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পাদকীয় মূল্যায়ন, প্রকাশনা-সংক্রান্ত নীতিমালা, রিভিউ প্রক্রিয়া বা সংশোধন-সংক্রান্ত কারণও এর পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

সম্প্রতি প্রথম আলোর প্রকাশিত এক সংবাদে বাংলাদেশের মোট ৩২৫টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের বিষয়টি উঠে আসে। সেখানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের গবেষণাপত্রের কথা উল্লেখ থাকলেও অনুসন্ধানে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও চারজন শিক্ষকের মোট পাঁচটি গবেষণাপত্রও বিভিন্ন সময়ে প্রত্যাহার হয়েছে। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্রগুলোর লেখকদের মধ্যে রয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. স্বপন চন্দ্র মজুমদার, পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মারুফ হাসান, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শফি উল্যাহ এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহিন উদ্দিন। এর মধ্যে অধ্যাপক ড. স্বপন চন্দ্র মজুমদারের দুটি এবং অন্য চার শিক্ষকের একটি করে গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে।

প্রত্যাহার-সংক্রান্ত নোটিশগুলো পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিভিন্ন গবেষণাপত্রে ভিন্ন ভিন্ন কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পিয়ার রিভিউ প্রক্রিয়ায় ত্রুটি, অনুপযুক্ত বা অপ্রাসঙ্গিক রেফারেন্স ও সাইটেশন, জার্নালের পরিধির বাইরে থাকা, সাহিত্য পর্যালোচনা ও প্যারাফ্রেজিং-সংক্রান্ত প্রশ্ন, পাঠযোগ্যতা ও তথ্যগত নির্ভুলতা উন্নয়নের প্রয়োজন, সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা এবং সম্পাদকীয় মূল্যায়নের ভিত্তিতে গৃহীত সিদ্ধান্ত। তবে সংশ্লিষ্ট গবেষকদের দাবি, এসব প্রত্যাহারের ঘটনাকে গবেষণা জালিয়াতি বা অসদাচরণের সমার্থক হিসেবে দেখা উচিত নয়; বরং অনেক ক্ষেত্রে সম্পাদকীয় মূল্যায়ন, প্রকাশনা-প্রক্রিয়া বা নীতিমালাগত কারণেও গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রিট্র্যাকশনের কারণ বিবেচনা করে গবেষককে মূল্যায়ন করা উচিত। গবেষণা-অসদাচরণ বা অনৈতিকতার প্রমাণ থাকলে তা গুরুতর বিষয় হলেও, একজন গবেষককে তাঁর সামগ্রিক গবেষণা-অবদান ও কর্মজীবনের ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা উচিত।

প্রত্যাহার হওয়া গবেষণাপত্রগুলোর মধ্যে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. স্বপন চন্দ্র মজুমদারের দুটি গবেষণাপত্র রয়েছে। এর একটি গবেষণাপত্রে তিনি প্রধান লেখক এবং অন্যটিতে সহ-লেখক ছিলেন।

সহ-লেখক হিসেবে তার প্রকাশিত ‘এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড পলিউশন রিসার্চ’ জার্নালের একটি গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রকাশক স্প্রিংগার নেচার জানায়, প্রধান সম্পাদকের সম্মতিক্রমে এটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্তে পিয়ার রিভিউ প্রক্রিয়ার ত্রুটি, অনুপযুক্ত বা অপ্রাসঙ্গিক সূত্র ব্যবহার এবং জার্নালের পরিধির বাইরে থাকা-সহ কয়েকটি সমস্যা শনাক্ত হওয়ায় সম্পাদক ও প্রকাশক প্রবন্ধটির ফলাফল ও উপসংহারের ওপর আস্থা হারান। তবে লেখকরা এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন। প্রকাশকের ই-মেইলে আরও বলা হয়, "এটি গবেষণা-সাহিত্যের রেকর্ড সংশোধনের অংশ, কোনো গবেষণা-অসদাচরণের শাস্তি নয়।"

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. স্বপন চন্দ্র মজুমদার বলেন, "আমি পদোন্নতির সময় মোট ৩১টি প্রকাশনা জমা দিয়েছি। এর মধ্যে একটি প্রকাশনা প্রত্যাহার হয়েছে। আমাদের কোনো গবেষণায় অনিয়ম বা কুম্ভীলকবৃত্তি ছিল না। কেন গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হয়, সে বিষয়ে বিস্তারিত অন্য কোনো প্রবন্ধে বলা যাবে।"

তিনি আরও বলেন, "এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড পলিউশন রিসার্চ জার্নালের একটি গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রকাশক স্প্রিংগার নেচার জানিয়েছে, এটি গবেষণা-সাহিত্যের রেকর্ড সংশোধনের অংশ, কোনো গবেষণা-অসদাচরণের শাস্তি নয়।"

অধ্যাপক ড. স্বপন চন্দ্র মজুমদারের আরেকটি গবেষণাপত্র, যা ‘হেলিয়ন’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল, সেটির প্রত্যাহার নোটিশে উল্লেখ করা হয়, লেখকরা এর আগে ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড অ্যাডিকশন’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রের অংশ চৌর্যবৃত্তি ও পুনর্লিখন করেছেন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, "হেলিয়ন জার্নালে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণাপত্রের ক্ষেত্রে কনসেন্ট ফর্ম, ইনস্টিটিউশনাল রিভিউ বোর্ড সার্টিফিকেট, সাইটেশন ও সিমিলারিটি বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। আমরা প্রতিটি বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিই। গবেষণার সময় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্যকর এথিকস কমিটি না থাকায় নৈতিক অনুমোদন নেওয়া সম্ভব হয়নি এবং বিষয়টি রিভিশন পর্যায়েই সম্পাদকীয় বোর্ডকে জানানো হয়। এখানে উল্লেখ্য, হেলিয়ন জার্নাল যে প্লেজিয়ারিজম ও প্যারাফ্রেজিংয়ের কথা বলেছে, সেই জার্নাল এবং ওই লেখকদের গবেষণাপত্রের সঙ্গে আমাদের গবেষণাপত্রের বিভিন্ন স্থানে মোট ৭৮টি শব্দের মিল রয়েছে। যার বেশিরভাগই টার্মিনোলজি। একক উৎস হিসেবে এ মিল মাত্র ২ শতাংশ এবং তা যথাযথভাবে গবেষকদের নাম উল্লেখ করে সাইট করা হয়েছে।"

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মারুফ হাসানের একটি গবেষণাপত্র লেখকদের অনুরোধে প্রত্যাহার করা হয়। জার্নালের প্রত্যাহার নোটিশে বলা হয়, লেখকদের দাবি অনুযায়ী গবেষণাপত্রটিতে সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। একাডেমিক নথির যথার্থতা বজায় রাখতে কমিটি অন পাবলিকেশন এথিকস (COPE)-এর রিট্র্যাকশন নির্দেশিকা অনুসরণ করে প্রবন্ধটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ কারণে সৃষ্ট অসুবিধার জন্য সম্পাদকীয় বোর্ড দুঃখ প্রকাশ করেছে।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. মো. মারুফ হাসান বলেন, "রিট্র্যাকশন মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে—একটি সম্পাদকীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে, অন্যটি লেখকের মাধ্যমে। পেপার সাবমিটের পর তারা আমাকে তিনবার সংশোধনের সুযোগ দেয়। পরে আমার মনে হয়, আমি যে ফলাফল উপস্থাপন করেছি, সেটি অন্যদিকে সরে যাচ্ছে। এরপর তারা আমাদের ৪০০ ডলার পেপ্যালের মাধ্যমে দিতে বলে। কিন্তু আমাদের দেশে তখন পেপ্যাল সুবিধা ছিল না। তাই আমরা নিজেরাই গবেষণাপত্রটি প্রত্যাহার করে নিই। এই পেপারে কোনো জালিয়াতি বা ভুল ছিল না; বরং তারাও বলেছে, এটি এখনো বৈধ। পাশাপাশি আমি এটি পদোন্নতি বা অন্য কোথাও ব্যবহার করিনি।"

লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহিন উদ্দিনের ‘পাবলিক অ্যাফেয়ার্স’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গবেষণাপত্রটির পাঠযোগ্যতা ও তথ্যগত নির্ভুলতা উন্নত করতে মৌলিক সংশোধনের প্রয়োজন ছিল। এ কারণে লেখক, প্রধান সম্পাদক এবং প্রকাশক পারস্পরিক সম্মতিতে প্রবন্ধটি প্রত্যাহার করেন। একই সঙ্গে সংশোধিত সংস্করণ পুনরায় জমা দেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে, যা নতুন করে পিয়ার রিভিউয়ের মাধ্যমে বিবেচিত হবে।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, "আমার গবেষণাপত্রটি আমি শিক্ষার্থী থাকাকালীন বিদেশে অবস্থানকালে সম্পন্ন করেছিলাম এবং এটি ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়। এর সঙ্গে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অ্যাফিলিয়েশন নেই। একটি সাইটেশনের অথেনটিসিটির কারণে আমি নিজ উদ্যোগে গবেষণাপত্রটি প্রত্যাহার করে নিই। পাশাপাশি এই গবেষণাপত্রটি আমি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ, পদোন্নতি বা অন্য কোনো আনুষ্ঠানিক কাজে কখনো ব্যবহার করিনি।"

পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী এবং গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শফি উল্যাহর যৌথ গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে প্রকাশক উল্লেখ করেন, তদন্তে গবেষণার সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক রেফারেন্স পাওয়া গেছে এবং এ বিষয়ে লেখকরা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। পাশাপাশি পিয়ার রিভিউয়ের সময় দুইজন রিভিউয়ার অপ্রয়োজনীয় রেফারেন্স যুক্ত করার অনুরোধ করেছিলেন। এসব কারণে সম্পাদক গবেষণাপত্রটির সততা ও ফলাফলের ওপর আস্থা হারিয়ে এটি প্রত্যাহার করেন। তবে লেখকরা এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন।

এ বিষয়ে সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শফি উল্যাহ বলেন, "বর্তমানে অনেকেই মনে করেন, কোনো গবেষণা প্রবন্ধ প্রত্যাহার হলেই সেটি গবেষণা জালিয়াতির প্রমাণ। বাস্তবে এ ধারণা সঠিক নয়। একটি প্রবন্ধ জালিয়াতি, তথ্য বিকৃতি বা চৌর্যবৃত্তির কারণে যেমন প্রত্যাহার হতে পারে, তেমনি অনিচ্ছাকৃত ভুল, রিভিউ প্রক্রিয়ার ত্রুটি, সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত বা প্রকাশনা-সংক্রান্ত অন্যান্য কারণেও প্রত্যাহার হতে পারে। তাই কোনো প্রবন্ধ প্রত্যাহার হওয়াকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গবেষণা জালিয়াতি হিসেবে আখ্যায়িত করা অনুচিত। আন্তর্জাতিকভাবে পিয়ার রিভিউ প্রক্রিয়ায় গবেষণার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক রিভিউয়ার-প্রস্তাবিত রেফারেন্স অন্তর্ভুক্ত করা একটি স্বীকৃত অনুশীলন। আমার প্রবন্ধে রিভিউয়ারের পরামর্শে সংযোজিত সব রেফারেন্সই গবেষণার বিষয়বস্তুর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রাসঙ্গিক ছিল।"

তিনি আরও বলেন, "আমার জানামতে, হেলিয়নের নীতিমালায় এ ধরনের প্রাসঙ্গিক রিভিউয়ার-প্রস্তাবিত রেফারেন্স অন্তর্ভুক্তির ওপর কোনো সাধারণ নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে আমার প্রবন্ধের প্রত্যাহার বিজ্ঞপ্তিতে এ ধরনের রেফারেন্স সংযোজন অনুমোদিত নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। যদি শুধু এ কারণেই কোনো প্রবন্ধ প্রত্যাহার করা হয়ে থাকে, তবে এ বিষয়ে প্রকাশকের স্পষ্ট ব্যাখ্যা এবং প্রয়োজনে স্বাধীন পর্যালোচনা প্রত্যাশিত। সর্বোপরি, কোনো প্রবন্ধ প্রত্যাহার হয়েছে বলেই লেখককে 'গবেষণা জালিয়াত' আখ্যা না দিয়ে, প্রত্যাহারের প্রকৃত কারণ বিবেচনা করেই মতামত দেওয়া উচিত।"

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী বলেন, "আমরা যখন কোনো গবেষণাপত্র লিখি, তখন যথাযথভাবে সাইটেশন ব্যবহার করি। বিভিন্ন জার্নালে নির্দিষ্ট মাত্রার সিমিলারিটি বা প্লেজিয়ারিজম গ্রহণযোগ্য থাকে—কোথাও ১০ শতাংশ, কোথাও ২০ শতাংশ পর্যন্ত। তাই কোনো বিষয়কে কোন দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের গবেষণাপত্রটি মূলত রেফারেন্স ও সাইটেশন-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে প্রত্যাহার করা হয়েছে।"

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি'র পরিচালক ও গবেষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন বলেন, "গবেষণাপত্র মূলত দুইভাবে প্রত্যাহার হতে পারে..." (পরবর্তী বক্তব্যের ভাষা ও তথ্য অপরিবর্তিত রেখে প্রকাশযোগ্য।)

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, "অনেক গবেষক শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ফিল্ডওয়ার্ক বা তথ্য সংগ্রহ করান..."

গবেষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "গবেষণার সংখ্যা বাড়ানোর চেয়ে এর গুণমান ও সততা বজায় রাখা বেশি জরুরি..."

তিনি আরও বলেন, "প্রত্যেক জার্নালের নিজস্ব নীতিমালা থাকে..."

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, "তাদের গবেষণাগুলো সম্পর্কে আমরাও প্রাথমিকভাবে জেনেছি। আমরা বিষয়গুলো সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জেনে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে তদন্ত কমিটি গঠন করব।"