৪০৪ শিক্ষকের তালিকায় বেরোবির ৭ জন, সত্যতা যাচাইয়ে কমিটি

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৪৮ | অনলাইন সংস্করণ

  বেরোবি প্রতিনিধি

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে টেলিগ্রামের একটি সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক গোপন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ওই তালিকায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাতজন শিক্ষকের নামও রয়েছে। এ অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা নিরূপণে পাঁচ সদস্যের একটি অনুসন্ধান (ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং) কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক গোপন তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক সম্পৃক্ত রয়েছেন কি না, তা যাচাইয়ের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে এ অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পাঁচ সদস্যের এ কমিটিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তানজিউল ইসলাম জীবনকে আহ্বায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলের সহকারী রেজিস্ট্রার মোছা. রেহেনা আক্তার মনিকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হারুন-আল-রশীদ এবং ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শৃঙ্খলা কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করবে। পরবর্তীতে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।