রাবিতে ৬ দিনব্যাপী অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক কর্মশালা
প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩২ | অনলাইন সংস্করণ
রাবি প্রতিনিধি

দেশের উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করা, শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর আয়োজনে ‘Preparation for Global Assessment Standard & Question Patterns’ শীর্ষক ৬ দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেল ৫টায় আইকিউএসি-এর আয়োজনে কর্মশালার সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। গত ৯ আগস্ট শুরু হওয়া এ কর্মশালা ৬ দিনব্যাপী বিভিন্ন সেশনের মধ্য দিয়ে রোববার শেষ হয়।
অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য আগ্রহী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি বিভাগ আবেদন করে। এর মধ্যে ১৮টি বিভাগের ২২১ জন শিক্ষককে নিয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক মূল্যায়ন পদ্ধতি, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং বিভিন্ন মানদণ্ডের আলোকে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়।
৬ দিনব্যাপী এ কর্মশালায় দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন অর্জনের প্রস্তুতি, মূল্যায়নের বৈশ্বিক মানদণ্ড, প্রশ্ন প্রণয়নের আধুনিক পদ্ধতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগগুলোর প্রস্তুতি ও করণীয় নিয়েও আলোচনা হয়।
কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মনিমুল হক।
আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবু রেজা বলেন, “উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের লক্ষ্যে এ ধরনের উদ্যোগ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরও সুসংগঠিত, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে। কর্মশালাটি অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে এবং অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ধরনের উদ্যোগ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে যেতে পারবে বলে আমরা আশাবাদী।”
