এপস্টেইন ফাইলস নিয়ে জয়ার মন্তব্য

প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪০ | অনলাইন সংস্করণ

জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান এ মুহূর্তে অবস্থান করছেন কলকাতায়। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি তার ‘ওসিডি’ শিরোনামে একটি সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে। তার প্রচারেই ব্যস্ত সময় পার করছেন বাংলাদেশি এ তারকা। সম্প্রতি ছবি প্রসঙ্গে নানা বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন জয়া। সেখানেই আলাপের এক পর্যায়ে বিশ্বজুড়ে আলোচিত এপস্টেইন ফাইলস প্রসঙ্গটি উঠে আসে। ছবি সম্পর্কে অভিনেত্রী জানান, ছবিটির চরিত্র ও বিষয়বস্তুর গভীরতা বোঝার জন্য তিনি আগেভাগেই বিস্তর গবেষণা করেছেন। বিশেষ করে পেডোফিলিয়া বা শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ— এই মানসিক ব্যাধি সম্পর্কে জানতে ও বুঝতে সময় দিয়েছেন। জয়া বলেন, ‘আমি যখন যে ধরনের চরিত্রে কাজ করি, তার মানসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটটা বোঝার চেষ্টা করি। ‘ওসিডি’ সিনেমাটি সময় নিয়ে রীতিমতো চর্চা করেছি। শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ কোন মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ, কী থেকে হয়— এগুলো না জানলে এমন বিষয় নিয়ে কাজ করাটা মুশকিল। এই ছবি সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। তাই প্রস্তুতিটা জরুরি। আসলে যেখানে শিশুরা জড়িয়ে থাকে, দায়িত্বটা অনেক বেড়ে যায়। এটি আমার অভিনীত অন্যতম প্রিয় একটি কাজ।’

সম্প্রতি কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের ৩০ লক্ষাধিক নথি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ, যা এপস্টেইন ফাইলস নামে পরিচিতি পেয়েছে। এরপরই বৈশ্বিক রাজনীতি থেকে শুরু করে সব মহলে আলোচনার ঝড় বইছে। যেখানে মার্কিন বহু প্রভাবশালী ব্যক্তির নামও আছে। বিষয়টি নিয়ে জয়া বলেন, ‘একটি শিশু দেখলে সাধারণ মানুষের মনে মায়া জন্মায়, স্নেহ জন্মায়। কিন্তু কিছু মানুষের শিশু দেখলে যৌন আকাঙ্ক্ষা জন্মায়। তারা ওই শরীরের ভেতরটা দেখতে চায়। আসলে এটা তো একটা অসুস্থতা।’ বর্তমান পৃথিবী শিশুদের জন্য অনিরাপদ মন্তব্য করে অভিনেত্রী বলেন, ‘এই বিশ্ব শিশুদের জন্য অসম্ভব অনিরাপদ। আমি চাইলে কিন্তু সন্তান দত্তক নিতে পারি। তার জন্য সন্তান জন্ম দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু বাধা একটাই। একটা শিশুকে পৃথিবীতে আনলে তার জন্য একটা নিরাপদ জায়গা করে দিতে হবে। কিন্তু মানুষ প্রতিনিয়ত ‘আমি আমি’ করে চলছে।’