বিজ্ঞাপনের চুক্তির প্রলোভনে ডেকে অভিনেত্রীকে কুপ্রস্তাব

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৭ | অনলাইন সংস্করণ

চলচ্চিত্রাঙ্গনে ‘কাস্টিং কাউচ’ নতুন কিছু নয়। অনেক আগে থেকেই পর্দার আড়ালে এমনটা চলছে। উঠতি অভিনয়শিল্পী বিশেষ করে অভিনেত্রীদের সঙ্গে বেশি ঘটছে। বহু নায়িকা লালসার শিকার হয়েছেন প্রযোজক-পরিচালকদের।

অভিনেত্রী যুক্তি কাপুরও আছেন তালিকায়। সম্প্রতি কাস্টিং কাউচ নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। সিনেমায় সুযোগের বিনিময়ে পরিচালক-প্রযোজকের কু প্রস্তাবে রাজি হতে হবে বলে শর্ত পেয়েছিলেন অভিনেত্রী। 

বলেন, “ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কোনো গড ফাদার নেই। ফিল্মি ব্যাকগ্রাউন্ড ছাড়াই এতদূর পৌঁছেছি। কিন্তু কাস্টিং কাউচের শিকার আমিও হয়েছিলাম। একবার আমাকে একজন প্রযোজক মিটিংয়ের জন্য ডেকেছিলেন। ফোন পেয়ে খুশি হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম হয়তো কোনো বড় সুযোগ পাব। কিন্তু তাঁর সঙ্গে দেখা হওয়ার পর আমি তাঁর মুখে অদ্ভুত দাবি শুনলাম। তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘আমাদের একটা পার্টি রয়েছে। ওখানে আমার প্রেমিকা হয়ে যেতে হবে তোমাকে।’ প্রযোজকের মুখে এমন প্রস্তাব শুনে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।

কেননা তখন খুবই ছোট ছিলাম। কথাটি শুনে আমার এতটাই ভয় লেগেছিল, আমি ভাবছিলাম কখন এখান থেকে বের হব। চিন্তা হচ্ছিল ওরা হয়তো আমাকে ভেতরে আটকে দরজা বন্ধ করে দেবে। এরপর ওরা হয়তো আমার সঙ্গে খারাপ কিছু করবে। ওই প্রযোজকের আগে নিজের দিকে তাকানো উচিত ছিল, তিনি আমার বাবার বয়সী ছিলেন। তাঁর সামনে আমি শিশু ছিলাম। তখন আমার বয়স ছিল ২২ বা ২৩ বছর। ধিক্কার তোমাকে!”

আরও একটি ঘটনা শেয়ার করে যুক্তি বলেন, ‘একটা বিজ্ঞাপনের জন্যেও কাস্টিং কাউচের শিকার হয়েছিলাম। অডিশন দেওয়ার পর আমাকে একজন চুক্তির প্রস্তাব দিল। সে বলেছিল শাহরুখ খান, সালমান খান এবং সইফ আলি খান সবাই সেখানে আছেন। আমি তার কথা বিশ্বাস করেছিলাম। পরের দিন সে আমাকে ফোন করে বলল, এই কাজ পেতে গেলে পরিচালক, প্রযোজক এবং অভিনেতাদের সঙ্গে শুতে হবে। যা শুনে আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। পরে জানতে পারলাম তিনি কোনো কাস্টিং ডিরেক্টর ছিলেন না। একজন ভুয়া কাস্টিং ডিরেক্টর। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ।’