মার্কিন দুই সেনা নিহতের পর ইরানে ব্যাপক হামলা

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪১ | অনলাইন সংস্করণ

জর্ডানে গত শুক্রবার ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন দুই সেনা নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। এখনো নিখোঁজ এক সেনা। এ ঘটনার জেরে ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) লক্ষ্যবস্তুতে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বহু এলাকায় বিস্ফোরণের খবর মিলেছে।

আজ রোববার (১৯ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে শনিবার (১৮ জুলাই) ইরানে নতুন করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছে।

সেন্টকম জানায়, ইরানের স্থানীয় সময় রোববার (১৯ জুলাই) রাত দেড়টা থেকে নতুন এই বিমান হামলা শুরু হয়। এর উদ্দেশ্য হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ইরানের হুমকি দেওয়ার সক্ষমতা আরও দুর্বল করে দেওয়া এবং আগের রাতে জর্ডানে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা চালানো আইআরজিসির সদস্যদের দ্রুত শাস্তি দেওয়া।

শনিবার সেন্টকম জানায়, গত শুক্রবার জর্ডানে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দুজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। ১৭ জুলাই জর্ডানে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে গিয়ে সেন্টকম ও মিত্র বাহিনীর অভিযানের সময় দুই মার্কিন সেনা নিহত হন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চিকিৎসার জন্য জর্ডানের হাসপাতালে নেয়া চার মার্কিন সেনাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া সামান্য আহত অন্য সেনারা চিকিৎসা শেষে আবার দায়িত্বে ফিরে গেছেন।

নিহত সেনাদের পরিবারের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাদের স্বজনদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো না পর্যন্ত নিহতদের পরিচয়সহ অতিরিক্ত কোনও তথ্য প্রকাশ করা হবে না বলেও জানিয়েছে সেন্টকম।

আনাদোলু বলছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার মধ্যে রোববার ভোরে কেশম দ্বীপে অন্তত ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। একই সময়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।