২ লাখ আশ্রয়প্রার্থীর ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৬:১৮ | অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর রাজনৈতিক বা অন্য কোনো ধরনের আশ্রয়ের আবেদন করেছেন—এমন প্রায় ২ লাখ বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা করছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।

এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এটিই হবে একসঙ্গে সবচেয়ে বড় ভিসা বাতিলের ঘটনা। তবে উদ্যোগটি কার্যকর হলে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

এপির হাতে আসা মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি এক্সক্লুসিভ নথি এবং দুই কর্মকর্তার বক্তব্যের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। নথি অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বি-১ ও বি-২ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন—এমন প্রায় ২ লাখ বিদেশির ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনাটি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়ন করা হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগোট এপিকে বলেছেন, অনেক বিদেশি স্বল্পমেয়াদি দর্শনার্থী হিসেবে অ-অভিবাসী ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর আশ্রয়ের আবেদন করেন এবং পরে দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের চেষ্টা করেন। এমন আবেদনকারীদের শনাক্ত করে ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে ঠিক কতজনের ভিসা বাতিল করা হবে, সে সংখ্যা এখনই নিশ্চিত করে বলতে চাননি পিগোট। তিনি জানান, প্রক্রিয়াটি এখনও চলমান রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসায়িক কাজে ভ্রমণের জন্য বি-১ ভিসা এবং পর্যটন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ বা চিকিৎসার মতো কাজে বি-২ ভিসা দেওয়া হয়।

২০১৬ থেকে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ— এই দশ বছরে বি-ওয়ান এবং বি-২ ভিসায় কত জন বিদেশি নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন এবং তাদের মধ্যে কতজন আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছেন— সে বিষয়ক কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়নি।

ব্যবসায়িক উদ্দেশে যারা মার্কিন ভিসার জন্য আবেদন করেন, তাদের বি-ওয়ান এবং ভ্রমণ, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও চিকিসার জন্য যারা আবেদন করেন, তাদের বি-টু ভিসা প্রদান করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৬ থেকে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ— এই দশ বছরে বি-ওয়ান এবং বি-২ ভিসায় কত জন বিদেশি নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছেন এবং তাদের মধ্যে কতজন আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছেন— সে বিষয়ক কোনো সুনির্দিষ্ট সংখ্যা মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানা যায়নি।