বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালাতে জাপানি কোম্পানির প্রস্তাব
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:২০ | অনলাইন সংস্করণ

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের অপারেশন ও মেনটেইন্যান্স কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রস্তাব দাখিল করেছে জাপানি কোম্পানি সাব ওয়ার্কিং গ্রুপ।
মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদরদপ্তরে প্রতিষ্ঠানটি প্রস্তাব দাখিল করে বলে বেবিচকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সাব ওয়ার্কিং গ্রুপের পক্ষে মাসাহিরু হিরাই বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকের কাছে এই প্রস্তাব জমা দেন।
বেবিচক বলছে, প্রস্তাব দাখিলের সময় জাপানি ওই কোম্পানি কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব সংবলিত আলাদা নথিপত্র জমা দিয়েছে।
এই প্রস্তাব বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় গঠিত আরএফভি ইভ্যালুয়েশন কমিটির মাধ্যমে নির্ধারিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা হবে।
বেবিচক ছাড়াও অর্থ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা রয়েছেন এই কমিটিতে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মূল্যায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রথমে কারিগরি প্রস্তাব এবং পরে আর্থিক প্রস্তাব মূল্যায়ন করা হবে। মূল্যায়ন শেষে প্রয়োজনীয় আলোচনা ও সমঝোতার বিষয়গুলো আসবে। সেসব সফলভাবে সারা হলেই বিষয়টি চুক্তির পর্যায়ে যাবে।
জাপানি প্রস্তাব সম্পর্কে অবহিত বেবিচকের এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “প্রস্তাবের কারিগরি দিক নিয়ে আজই মূল্যায়ন শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রম আজকেই শেষ হওয়ারন কথা রয়েছে।
“আর আর্থিক প্রস্তাব নিয়ে মূল্যায়ন চূড়ান্ত হবে বৃহস্পতিবার। এ বিষয়ে এর আগে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলো যেভাবে প্রস্তাব দিয়েছে, তার ব্যত্যয় না হলে শিগগিরই আর্থিক চূড়ান্ত চুক্তি হতে পারে। সব ঠিক থাকলে এর আগেই অথবা সর্বোচ্চ অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত হবে।”
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের সফট ওপেনিং (আংশিক উদ্বোধন) করেন গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এরপর দফায়-দফায় ব্যয় বাড়িয়ে, বিভিন্ন সময়ে নানারকম উদ্যোগ নিয়েও টার্মিনালটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই টার্মিনালটি চালুর ঘোষণা দেয়। টার্মিনালের অপারেশন ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং নিয়ে একাধিক দেশের একাধিক প্রতিষ্ঠানের আগ্রহের মধ্যেই জাপানি এই প্রতিষ্ঠানকে এ দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সেই আলোচনার মধ্যেই এবার প্রস্তাব দাখিল করল জাপানি এ প্রতিষ্ঠান।
