নিরাপত্তার জন্য শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করা যাবে না: কাতার
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:০৩ | অনলাইন সংস্করণ

নিরাপত্তার ক্ষেত্রে উপসাগরীয় দেশগুলোকে শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক জোটের ওপর নির্ভর না করে নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছে কাতার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সোমবার আবুধাবিতে এ কথা বলেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হিলি ফোরামে বক্তব্য দিতে গিয়ে কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত জোট গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু এর ওপর নির্ভর করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জনই সামনে এগিয়ে যাওয়ার অন্যতম পথ। মিত্র ও অংশীদারদের প্রয়োজন রয়েছে, কিন্তু নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পুরোপুরি তাদের ওপর ছেড়ে দেওয়া যাবে না।
আবুধাবি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কাতার গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। একই সময়ে দেশটি ইরানের হামলারও শিকার হয়েছে। বিশেষ করে কাতারের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আয়তনে ছোট হলেও গ্যাসসমৃদ্ধ কাতারে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। সংঘাত চলাকালে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা চালিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতের পর বর্তমানে দুই পক্ষ অচলাবস্থায় রয়েছে। ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলো ঘিরে পাল্টা অবরোধ জোরদার করছে।
মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে গত মাসে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি তেহরান সফর করেন।
এর আগে হরমুজ প্রণালির তীরবর্তী ইরান ও ওমান জানিয়েছিল, তারা অস্থায়ী নৌপথ চালু এবং সমুদ্র থেকে মাইন অপসারণের বিষয়ে আলোচনা করছে।
