ইসলামে নারীর মর্যাদা ও সুরক্ষা
প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:০৬ | অনলাইন সংস্করণ
ড. আবু সালেহ মুহাম্মদ তোহা

ইসলাম মানবজীবনের প্রতিটি স্তরে ন্যায়, ভারসাম্য ও কল্যাণ নিশ্চিত করে। এ ব্যবস্থায় নারীকে কখনও অবহেলার চোখে দেখা হয়নি; বরং তার স্বভাব, মর্যাদা ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিধান প্রণয়ন করা হয়েছে। ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে নারী যেখানে শোষণ, বঞ্চনা ও নিরাপত্তাহীনতার শিকার হয়েছে, সেখানে ইসলাম নারীকে মা, স্ত্রী, কন্যা ও বোন- প্রতিটি পরিচয়ে সম্মান ও অধিকার প্রদান করেছে। একই সঙ্গে নারী যেন সামাজিক, পারিবারিক ও নৈতিকভাবে নিরাপদ জীবন যাপন করতে পারে- সে লক্ষ্যে এমন সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যা ইসলামের নারীবান্ধব ও কল্যাণকর দৃষ্টিভঙ্গিই স্পষ্ট করে।
ইসলামে নারীর মর্যাদা : ইসলাম নারীকে মর্যাদা, সম্মান ও অধিকার প্রদানের ক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্ট ও ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেছে এবং নারীকে পরিবার ও সমাজ গঠনের কেন্দ্রীয় শক্তি হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। মা হিসেবে নারী সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী, স্ত্রী হিসেবে শান্তি ও ভালোবাসার প্রতীক, কন্যা হিসেবে রহমত ও পুণ্যের উৎস এবং বোন হিসেবে স্নেহ ও দায়িত্ববোধের সম্পর্কের অধিকারী। কোরআন ও হাদিসে নারীর প্রতিটি পরিচয়ের জন্য পৃথকভাবে সম্মান ও সদাচরণের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
মা হিসেবে নারী : মা হিসেবে নারী ইসলামে সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী। মহান আল্লাহ পিতা-মাতার সঙ্গে সদাচরণকে নিজের ইবাদতের পরেই স্থান দিয়েছেন। আর হাদিসের ভাষায় মায়ের মর্যাদা পিতার চেয়েও তিনগুণ বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসুল (সা.), মানুষের মধ্যে আমার সদ্ব্যবহারের সর্বাপেক্ষা অধিকারী ব্যক্তি কে? তিনি বলেন, তোমার মা। সে বলল, এরপর কে? তিনি বলেন, এর পরও তোমার মা। সে বলল, তারপর কে? তিনি বলেন, তার পরও তোমার মা। সে বলল, এরপর কে? তিনি বলেন, এরপর তোমার পিতা। (মুসলিম : ৬৩৯৪)।
স্ত্রী হিসেবে নারী : নারী যখন স্ত্রী, তখন ইসলাম তাকে শান্তি, ভালোবাসা ও দয়ার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে চিহ্নিত করেছে। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে আল্লাহ তাঁর নিদর্শন বলে আখ্যায়িত করেছেন। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে আছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও। আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা রুম : ২১)। ইসলাম স্ত্রীকে শুধু গৃহিণী নয়, বরং দায়িত্বশীল অভিভাবক হিসেবে দেখেছে। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং তোমরা প্রত্যেকেই জিজ্ঞাসিত হবে। একজন স্ত্রী তার স্বামীর গৃহের দায়িত্বশীল, সে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে।’ (বোখারি : ৫১৮৮)।
কন্যা হিসেবে নারী : ইসলামে কন্যাসন্তান বোঝা নয়; বরং রহমত ও পুণ্যের উৎস। কন্যাসন্তান প্রতিপালন জান্নাতের পথ সুগম করে- এটাই ইসলামের সুস্পষ্ট ঘোষণা। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তিকে কন্যাসন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সে ধৈর্যের সঙ্গে তা পালন করেছে, সেই কন্যাসন্তান তার জন্য জাহান্নাম থেকে আড় হবে।’ (তিরমিজি : ১৯১৩)।
বোন হিসেবে নারী : ইসলাম বোনের সঙ্গেও স্নেহ, দায়িত্ব ও সদাচরণের শিক্ষা দিয়েছে। বোনের অধিকার রক্ষা করা ঈমানের অংশ। বোনদের প্রতি উত্তম আচরণ জান্নাতের সুসংবাদ বহন করে। আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যার তিনটি মেয়ে অথবা তিনটি বোন আছে, সে যদি তাদের সঙ্গে স্নেহপূর্ণ ব্যবহার করে, তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (তিরমিজি : ১৯১২)।
সব নারীদের প্রতি সৎভাব : পৃথিবীর সব সৃষ্টিকেই মহান আল্লাহ যুগল করে বানিয়েছেন। সর্বোত্তম সৃষ্টি মানুষের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। মহান আল্লাহ প্রথমে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করেছেন। এরপর তার জুটি হাওয়া (আ.)-কে সৃষ্টি করেছেন। পরবর্তী পর্যায়ে এই যুগল থেকেই পৃথিবীর সব মানুষের বিস্তার ঘটেছে। কাঠামোগত কিছু পার্থক্য থাকলেও নারী-পুরুষ সবাই মানুষ। সে হিসেবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথ এবং ইবাদতে নেকির মাত্রায় সবাই সমান। জাগতিক উন্নয়নেও সবার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। নারী-পুরুষ প্রত্যেকে প্রত্যেকের থেকে সম্মান, মর্যাদা ও ভালো আচরণ পাওয়ার অধিকার রাখে। নারীরা যেন কোনোভাবেই অবহেলিত না হয় সেজন্য বিশেষভাবে তাদের প্রতি ভালো আচরণের নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা তাদের সঙ্গে সৎভাবে জীবনযাপন করবে। তোমরা যদি তাদেরকে অপছন্দ করো তবে এমন হতে পারে যে, আল্লাহ যাতে প্রভূত কল্যাণ রেখেছেন তোমরা তাকেই অপছন্দ করছো’। (সুরা নিসা : ১৯)।
ইসলামে নারীর সুরক্ষা ভাবনা : ইসলামে নারীর মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি তার শারীরিক, নৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসলামের নারীর সুরক্ষা-ভাবনা কোনো সীমাবদ্ধতা আরোপের উদ্দেশ্যে নয়; বরং নারী যেন সম্ভাব্য অনাচার, নিপীড়ন ও অবক্ষয় থেকে নিরাপদ থাকতে পারে- সেই কল্যাণমুখী লক্ষ্যেই এসব বিধান প্রণীত।
যথাসম্ভব গৃহে অবস্থান : গৃহকে নিরাপদ করে গড়ে তোলে যথাসম্ভব নিজ গৃহে অবস্থান করার চেষ্টা করতে হবে। অতি প্রয়োজন ছাড়া গৃহের বাইরে যাওয়ার প্রবণতা এড়িয়ে চলতে হবে। নারীদের জন্য পৃথক কর্মক্ষেত্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবহন এবং নারীবান্ধব বাজার ব্যবস্থা হলে সেটিও হবে গৃহের মতোই নিরাপদ। কোরআনে নারীদের গৃহাভ্যন্তরে অবস্থানের আদেশ করা হয়েছে এবং গৃহকে নারীর দিকেই সম্বন্ধ করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা স্বগৃহে অবস্থান করবে এবং জাহেলি যুগের মতো নিজেদের প্রদর্শন করে বেড়াবে না।’ (সুরা আহজাব : ৩৩)।
নিজ বাড়িই সর্বোত্তম মসজিদ : নারীদের জন্য গৃহের অভ্যন্তরে নামাজ আদায় করাই উত্তম। গৃহই তাদের সর্বোত্তম মসজিদ। নারীদের ওপর জুমা ও ঈদের নামাজ অপরিহার্য নয়। মসজিদে গিয়ে জামাতে নামাজ আদায় করাও তাদের জন্য জরুরি নয়। উম্মে সালমা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘মহিলাদের সর্বোত্তম মসজিদ হলো তাদের ঘরের একান্তস্থান।’ (মুসনাদে আহমাদ : ২৬৫৮৪)।
আবৃত হয়ে বের হওয়া : মানুষের নানারকম প্রয়োজন থাকে। চাইলেই সারাক্ষণ ঘরে থাকা যায় না। প্রয়োজনে বের হতেই হয়। সেক্ষেত্রে ডিলেঢালা ও শালীন পোশাক পরিধান করে আবৃত হয়ে বের হতে হবে। এটিই ঈমানের পরিচায়ক এবং সুরক্ষার অন্যতম সহায়ক।
আল্লাহ বলেন, ‘হে নবী! তুমি তোমার স্ত্রীগণকে, কন্যাগণকে ও মোমিনদের নারীগণকে বলো, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়। এতে তাদের চেনা সহজতর হবে, ফলে তাদের উত্ত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা আহজাব : ৫)। অন্যত্র বলেন, ‘তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশ থাকে তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে, তাদের গলা ও বুক যেন মাথার কাপড় দ্বারা ঢেকে রাখে।’ (সুরা নুর : ৩১)।
মাহরাম ছাড়া সফর না করা : সফরকালে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইসলাম সফরে নারীর সঙ্গে মাহরাম (যাদের সঙ্গে বিয়ে নিষিদ্ধ) থাকা অপরিহার্য করে দিয়েছে। যেন সফরে মাহরাম পুরুষ-নারীকে দুশ্চরিত্র লোকদের থেকে নিরাপদ রাখতে পারে এবং নারীর প্রয়োজনে তাকে সহযোগিতা করতে পারে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, ‘কোনো নারীর জন্য বৈধ নয়, যে আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে মাহরাম ব্যতীত এক দিন ও এক রাতের দূরত্ব সফর করা।’ (বোখারি : ১০৮৮)।
পর-পুরুষের সঙ্গে অবস্থান না করা : মাহরাম নয় এমন কোনো নারী-পুরুষ নির্জন স্থানে একান্তে অবস্থান নিষেধ। অল্প সময়ের জন্য হলেও এমন অবস্থান থেকে বিরত থাকতে হবে। নিজের সুরক্ষার জন্যই এসব পরিবেশ এড়িয়ে চলতে হবে। এসব থেকেই ব্যভিচারের পথ তৈরি হয়। উকবা ইবনে আমের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা নারীদের কাছে প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকো। এক আনসারি সাহাবি বলল, হে আল্লাহর রাসুল! দেবরের ব্যাপারে কী বলেন, তিনি বললেন, দেবর তো মরণ। আরো বর্ণিত হয়েছে- নবী (সা.) বলেন, ‘যখনই কোন পুরুষ কোনো নারীর সঙ্গে একান্তে গোপনে অবস্থান করে তখনই শয়তান তাদের সঙ্গী হয়।’ (তিরমিজি : ১১৭১)।
পর-পুরুষের কাছে সৌন্দর্য প্রকাশ না করা : নারীর সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষ আকর্ষিত হয়। সেই সূত্রে কোন পর্যায়ে পাপী পুরুষের পাশবিকতার স্বীকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ফলে নারীর সুরক্ষা বিঘ্ন হতে পারে। নিজ সৌন্দর্য পর-পুরুষের কাছে প্রকাশ না করলে অংকুরেই এসব সম্ভাবনা দূর হয়ে যাবে। আল্লাহ বলেন, ‘তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বোনের ছেলে, আপন নারীরা, তাদের মালিকানাধীন দাসী, পুরুষদের মধ্যে যৌন কামনা-রহিত পুরুষ এবং নারীদের গোপন অঙ্গ সম্বন্ধে অজ্ঞ বালক ছাড়া কাও কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সৌন্দর্য প্রকাশের উদ্দেশ্যে সজোরে পদক্ষেপ না করে।’ (সুরা নুর : ৩১)।
আকর্ষণীয় ভঙ্গিমায় কথা না বলা : পর-পুরুষের সঙ্গে আকর্ষণীয় ভঙ্গিমায় কথা না বলা থেকেও অনেক কিছু ঘটে। যেমন- বর্তমানে মোবাইল ফোনে কথার মাধ্যমে ভাব শুরু হয়ে দেখা-সাক্ষাৎ করতে গিয়ে পাশবিকতার স্বীকার হওয়ার খবর পাওয়া যায়। আকর্ষণীয় ভঙ্গিমায় পর-পুরুষের সঙ্গে কথা বললে অনেক সময় ব্যাধি-সম্পন্নরা হীন কর্মের প্রতি প্রলুদ্ধ হতে পারে। কাজেই তা এড়িয়ে যেতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় করো তবে পর-পুরুষের সাথে কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলো না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধি আছে, সে প্রলুদ্ধ হয় এবং তোমরা ন্যায়সঙ্গত কথা বলবে।’ (সুরা আহজাব : ৩২)।
দৃষ্টি সংযত রাখা : মহান আল্লাহ নারী-পুরুষ সবাইকে দৃষ্টি সংযত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন। দৃষ্টি থেকেই শুরু হয় হৃদয়ের গুপ্ত প্রণয়। নারী-পুরুষ সবাই দৃষ্টি সংযত রাখলে অনেক অশ্লীলতা ও সামাজিক অপরাধ কমে যাবে।
আল্লাহ বলেন, ‘মোমিনদের বলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে; এটাই তাদের জন্য উত্তম। তারা যা করে নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবহিত। আর মোমিন নারীদের বলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে ও এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে।’ (সুরা নুর : ৩০-৩১)।
পরিশেষে বলা যায়, ইসলামে নারীর মর্যাদা ও সুরক্ষা কোনো বিচ্ছিন্ন বা খণ্ডিত বিষয় নয়; বরং তা একটি সমন্বিত ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থার অংশ। মা হিসেবে নারী সর্বোচ্চ সম্মান লাভ করে, স্ত্রী হিসেবে ভালোবাসা ও দায়িত্বের কেন্দ্রবিন্দু হয়, কন্যা ও বোন হিসেবে পুণ্য ও জান্নাতের সুসংবাদ লাভ করে। পাশাপাশি নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গৃহে অবস্থান, শালীন পোশাক, দৃষ্টি সংযম, মাহরাম ছাড়া সফর নিষেধ, পর-পুরুষের সঙ্গে একান্তে অবস্থান পরিহার ও শালীন আচরণের মতো বিধান প্রণয়ন করা হয়েছে- যা নারীর মর্যাদা সংরক্ষণ ও তাকে সম্ভাব্য অনাচার ও নিপীড়ন থেকে রক্ষা করার জন্যই। সুতরাং ইসলামের দৃষ্টিতে নারীর মর্যাদা ও সুরক্ষা মানবিক, বাস্তবসম্মত এবং কল্যাণমুখী- যা বাস্তবায়িত হলে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ সকলেই উপকৃত হবে।
