অনলাইন সংস্করণ
২০:৪২, ২৭ জুন, ২০২৩
কোরবানির বর্জ্য অপসারণ বা কোরবানির মাংস বিতরণে পরিবেশসম্মত ব্যাগ ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (২৭ জুন) আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কোরবানির পশুর রক্ত ও বর্জ্য যথাযথভাবে পরিষ্কার করুন এবং নির্ধারিত স্থানে ফেলুন। যেখানে সেখানে পশু জবাই করা হতে বিরত থাকুন এবং কোরবানির পুরো কার্যক্রম চলাকালীন যথাযথ ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করুন। পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনে ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে পশু কোরবানির মাধ্যমে পালন করা হয় সুমহান ধর্মীয় অনুশাসন। কোরবানিকৃত পশুর রক্ত, হাড়, চামড়া, নাড়িভুঁড়ি, গোবর ইত্যাদি উচ্ছিষ্টাংশের মাধ্যমে যাতে পরিবেশ দূষিত না হয় সে জন্য সুনির্দিষ্ট গর্তের মধ্যে পরিত্যক্ত অংশ রেখে মাটি চাপা দেওয়ার অনুরোধ করা হলো। কোরবানির বর্জ্য অপসারণ বা কোরবানির মাংস বিতরণে পরিবেশসম্মত ব্যাগ বা পাত্র ব্যবহার করার আহ্বান জানানো হলো। ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ’ তাই সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করে জনগণ ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব পালন করবে বলে পরিবেশ মন্ত্রণালয় প্রত্যাশা করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কোরবানিকৃত পশুর বর্জ্য পরিবেশসম্মতভাবে অপসারণের বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দেশব্যাপী প্রচারপত্র বিতরণ করা হচ্ছে। গণযোগাযোগ অধিদপ্তর হাট-বাজার ও উন্মুক্ত এলাকায় জনসচেতনতামূলক মাইকিং এবং প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করছে। জাতীয় দৈনিকগুলোয় সচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের মাধ্যমে খুদেবার্তা প্রেরণ করে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। ঈদের আগের জুমা ও ঈদের নামাজের খুতবায় এ বিষয়টি উল্লেখ করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সম্মানিত ইমামগণকে অনুরোধ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সচিবের রুটিন দায়িত্বে নিয়োজিত অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এ সভায় অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) সঞ্জয় কুমার ভৌমিক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।