নির্বাচনের পরিবেশ সন্তোষজনক, জানালেন সিইসি

প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০৬ | অনলাইন সংস্করণ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রবেশের সময় আপিলের বুথ পরিদর্শন করে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, সবার সহযোগিতা থাকলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হিসেবে উপহার দেওয়া সম্ভব। বর্তমানে নির্বাচনসংক্রান্ত পরিবেশ ও পরিস্থিতি সন্তোষজনক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে এসব আপিল আবেদনের ওপর পর্যায়ক্রমে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থী, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে আপিল করতে পারবেন। আপিল আবেদনের জন্য এক সেট মূল কাগজপত্র এবং ছয় সেট ছায়ালিপি মেমোরেন্ডাম আকারে জমা দিতে হবে।

আপিল গ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করে নির্বাচন কমিশনে পৃথক বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রংপুর অঞ্চলের জন্য বুথ-১ (আসন ১-৩৩), রাজশাহী অঞ্চলের জন্য বুথ-২ (আসন ৩৪-৭২), খুলনা অঞ্চলের জন্য বুথ-৩ (আসন ৭৩-১০৮), বরিশাল অঞ্চলের জন্য বুথ-৪ (আসন ১০৯-১২৯), ময়মনসিংহ অঞ্চলের জন্য বুথ-৫ (আসন ১৩০-১৬৭), ঢাকা অঞ্চলের জন্য বুথ-৬ (আসন ১৬৮-২০৮), ফরিদপুর অঞ্চলের জন্য বুথ-৭ (আসন ২০৯-২২৩), সিলেট অঞ্চলের জন্য বুথ-৮ (আসন ২২৪-২৪২), কুমিল্লা অঞ্চলের জন্য বুথ-৯ (আসন ২৪৩-২৭৭) এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের জন্য বুথ-১০ (আসন ২৭৮-৩০০) নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্ধারিত সিরিয়াল অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুনানি চলবে। ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে শুনানি চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে পরিস্থিতি ও আপিলের সংখ্যা বিবেচনায় এই সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে।

শুনানির সময় সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা তার প্রতিনিধি এবং আপিলকারীকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত থাকতে হবে।

শুনানি শেষে আপিলের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরে প্রদর্শন করা হবে এবং ই-মেইলের মাধ্যমে পিডিএফ কপি পাঠানো হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী নির্বাচন ভবন থেকে রায়ের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে।

১০ থেকে ১২ জানুয়ারির রায় ১২ জানুয়ারি, ১৩ থেকে ১৫ জানুয়ারির রায় ১৫ জানুয়ারি এবং ১৬ থেকে ১৮ জানুয়ারির রায় ১৮ জানুয়ারি বিতরণ করা হবে।