ক্রীড়া উপদেষ্টার বক্তব্য আইসিসির আনুষ্ঠানিক কোনো জবাব নয়: বিসিবি

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২১:০৫ | অনলাইন সংস্করণ

ভারতের মাটিতে গিয়ে বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলার বিষয়ে আইসিসিকে উদ্বৃত করে তিনটি বিষয়ে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল যে বক্তব্য দিয়েছেন তা আইসিসির পাঠানো আনুষ্ঠানিক কোন জবাব নয় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি বলেছে, ‘যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আজ টি-২০ বিশ্বকাপ ঘিরে আইসিসির চিঠির বিষয়ে একটি বক্তব্য দিয়েছেন। এটি বাংলাদেশের ম্যাচ ভারতের বাইরে সরিয়ে নেওয়া সংক্রান্ত বিসিবির অনুরোধে আইসিসি কোন সরাসরি বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নয়। এটি নিরাপত্তা হুমকি মূল্যায়ন সম্পর্কিত আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয়ে ছিল।’ 

বিসিবি জানিয়েছে, ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে দুই দফা চিঠি দিয়ে জানিয়েছে বিসিবি। দলের নিরাপত্তার কারণে ভারতের বাইরে বিশ্বকাপ ভেন্যুর ব্যবস্থার অনুরোধ করেছে। বোর্ড এখনো বিষয়টি নিয়ে আইসিসির উত্তরের অপেক্ষায় আছে। 

এর আগে, প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার এক ফেসবুক পোস্টে একই কথা জানান। তিনি নিজস্ব ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘ক্রীড়া উপদেষ্টা আইসিসির যোগাযোগের যে কথা বলেছেন, সেটা আসলে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে হুমকি পর্যালোচনায় আইসিসির একটি আন্তঃবিভাগীয় একটি নোট। বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে নিয়ে যেতে যে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ, তার জবাবে আইসিসির পাঠানো কোনো জবাব নয়।

বিকেলে বাফুফে ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সামনে ক্রীড়া উপদেষ্টা দাবি করেন, ‘আইসিসির সিকিউরিটি টিম একটি চিঠি দিয়েছে। যেখানে তিনটি বিষয়ে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ১. দলে মোস্তাফিজের অন্তর্ভুক্তি; ২. সমর্থকদের জাতীয় দলের জার্সি পরে ঘোরাফেরা করা; ৩. নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, নিরাপত্তা ঝুঁকি তত বৃদ্ধি পাবে।’

তিনি আইসিসির দেখানো তিনটি কারণকেই অবাস্তব আখ্যা দেন, ‘আইসিসি যদি আশা করে আমরা দলের শ্রেষ্ঠ বোলারকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গড়ব, সমর্থকরা জার্সি পরতে পারবে না, আর খেলার জন্য নির্বাচন পিছিয়ে দেব, তবে এর চেয়ে অবাস্তব প্রত্যাশা আর হতে পারে না। ভারতে ক্রিকেট খেলা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মুস্তাফিজ ইস্যু এবং আইসিসির চিঠিতে তা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত।’