ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: প্রতীক বরাদ্দ আজ
প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:০৩ | অনলাইন সংস্করণ
আলোকিত ডেস্ক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ বুধবার নির্বাচনি এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়ে সারাদেশে মোট ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। ফলে বর্তমানে নির্বাচনী মাঠে মোট ১,৯৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৯৮ আসনে (পাবনা-১ ও ২ বাদে) ১,৯৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। প্রথমে ৩০০ আসনে মোট ২,৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল, এর মধ্যে ১,৮৫৮টি মনোনয়ন বৈধ এবং ৭২৬টি বাতিল হয়েছিল। পরে বাতিলের বিরুদ্ধে ৬৩৯ জন আপিল করেন, এবং তাদের মধ্যে ৪৩১ জন পুনরায় প্রার্থিতা পেয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে এবং ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত এই প্রচারণা চালানো যাবে। ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার, সকাল ৭:৩০টা থেকে বিকেল ৪:৩০টা পর্যন্ত।
প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পরিপত্রে বলা হয়েছে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ (২০ জানুয়ারি) পরদিন অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীদের পছন্দ অনুযায়ী তাদের প্রতীক দেওয়া হবে, তবে একাধিক প্রার্থী যদি একই প্রতীক দাবি করেন, তাহলে লটারির মাধ্যমে প্রতীক নির্ধারণ করা হবে।
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের জন্য দলীয় প্রতীক সংরক্ষিত থাকবে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।
এ বিষয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ২০ অনুযায়ী, কোনো নির্বাচনি এলাকায় প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর এক বা একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলে রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ করবেন। এ ক্ষেত্রে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট দলের জন্য সংরক্ষিত প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিধি অনুসারে নির্ধারিত প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। প্রতীক বরাদ্দের পরপরই সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে প্রতীকের একটি নমুনা সরবরাহ করা হবে, যা নির্বাচনী প্রচারণার জন্য প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও প্রতীকগুলোর নমুনা পাওয়া যাবে। বিধিতে উল্লিখিত প্রতীকের নমুনাসহ পোস্টার ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী আজ থেকেই প্রতীক বরাদ্দের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
