উচ্চকক্ষে কোন দল কত আসন পাবে

প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:০৪ | অনলাইন সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯০ আসনে প্রার্থী দিয়ে বিএনপি এককভাবে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। বিএনপি জোট পেয়েছে ৫১ দশমিক ১ শতাংশ ভোট। ২২৭ আসনে প্রার্থী দিয়ে জামায়াতে ইসলামী ৩১ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট।

তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে ৩২ আসনে প্রার্থী দেওয়া জামায়াত জোটের শরিক এনসিপি। 

এবারের নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত এই দলগুলোর সম্মিলিত ভোট ৮৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। বাকিরা ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী উচ্চকক্ষে রাজনৈতিক দলকে অন্তত ১ শতাংশ ভোট পেতে হবে। স্বতন্ত্র ও বাকিদের ভোট বাদ যাবে এ হিসাব থেকে। এ হিসাবে বিএনপি উচ্চকক্ষে ৫৫ দশমিক ৭৮, জামায়াত ৩৫ দশমিক ৪৫, এনসিপি ৩ দশমিক ৪, ইসলামী আন্দোলন ৩ দশমিক শূন্য ১ এবং বাংলাদেশ খেলাফত ২ দশমিক ৩৩টি আসন পাবে। এ হিসাবে উচ্চকক্ষে বিএনপি ৫৬, জামায়াত ৩৬, এনসিপি ৩, ইসলামী ৩ ও বাংলাদেশ খেলাফত দুটি আসন পাবে।

বর্তমানে সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত আসন বণ্টন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে। সেখানে যে দলের প্রাপ্ত আসনের ভগ্নাংশ সংখ্যা বড় হয়, তারা পূর্ণ আসন পায়। 

বিএনপি সংসদের আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষের আসন বণ্টন করতে চায়। এ হিসাব ধরলে, দলগুলো সংসদের প্রতি তিনটি আসনের জন্য উচ্চকক্ষে একটি আসন পাবে। তিনের কম আসন পাওয়ায় বাংলাদেশ খেলাফত ও ইসলামী আন্দোলন উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব পাবে না। উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব পাবে না একটি করে আসন পাওয়া গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বিজেপি ও খেলাফতের অপর অংশ।

জুলাই সনদের ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাবের ৩০টিতে সব দলের ঐকমত্য রয়েছে। গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় এগুলোও বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক। গণভোটের প্রশ্নের প্রথম দুই ভাগের আট সংস্কারও বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক। তবে বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের নোট অব ডিসেন্ট থাকা বাকি ১০টি সংস্কার প্রস্তাব গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হলেও বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক নয়। এই শর্ত দিয়েই গণভোট হয়েছিল। 

 

আবা/এসআর/২৫