চাঁদাবাজির প্রতিবাদে আদাবর থানা ঘেরাও এলাকাবাসীর
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:২২ | অনলাইন সংস্করণ

চাঁদাবাজি ও গণছিনতাই রোধের দাবি তুলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আদাবর থানা ঘেরাও করেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে থানা ঘেরাওয়ের পাশাপাশি সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নামেন এলাকাবাসী।
শনিবার সন্ধ্যার পর আদাবরে চাঁদার জন্য এমব্রয়ডারি মালিক ও শ্রমিকদের কুপিয়ে আহত করে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনার বিচার চাওয়ার পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও গণছিনতাই প্রতিরোধের দাবিতে ভুক্তভোগীসহ স্থানীয়রা রাতে আদাবর থানা ঘেরাও করেন।
এলাকাবাসী জানান, শনিবার সন্ধ্যায় এমব্রয়ডারি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রায়হান জহিরের কারখানায় আকস্মিকভাবে কয়েকজন কিশোর গ্যাং চক্রের সদস্যরা চাঁদা চেয়ে হামলার ঘটনা ঘটায়। এ সময় ওই কারখানার দুই শ্রমিককে কুপিয়ে আহত করা হয় বলে জানিয়েছেন মোস্তাফিজুর রায়হান জহিরের ভাতিজা মারুফ হাসান সুমন।
সুমন জানান, রাসেল ওরফে কালা রাসেল নামের স্থানীয় এক কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য তার চাচার কাছে ঈদ উপলক্ষে চাঁদা দাবি করে। তিনি তা দিতে অস্বীকার করায় সন্ধ্যায় রাসেলের নেতৃত্বে ৮-১০ জন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য তার কারখানায় হামলা চালায়। কারখানার দুই শ্রমিককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলছেন, আদাবরের কিশোর গ্যাং লিডার রাসেল ওরফে কালা রাসেলের নেতৃত্বে আজকে হামলার ঘটনা ঘটেছে। তারা মূলত আদাবরের আরেক কিশোর গ্যাং লিডার রানার নেতৃত্বে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি ও দখলবাজি করে। আদাবরের এ রানা মূলত আদাবর ও মোহাম্মদপুরের ত্রাশ কিলার পাপ্পুর একান্ত ঘনিষ্ট। পাপ্পুর শেল্টারে মূলত তারা বিভিন্ন জায়গায় চাঁদার জন্য হামলা করে। তবে, এসব বাসিন্দারা কথা বললেও জীবননাশের ভয়ে নাম প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন।
এই ঘটনার বিচার দাবিতে রাত ১১টায় আদাবর থানা ঘেরাও করেন এমব্রয়ডারি মালিক-শ্রমিকরা। তাদের আদাবর থানার সামনের সড়কে দাঁড়িয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়। রাত সাড়ে ১২টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তারা সেখানে অবস্থান করছেন।
আবা/এসআর/২৫
