তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী 

প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৬, ১৯:০৮ | অনলাইন সংস্করণ

ছবি: সংগৃহীত

আপাতত জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। 

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সচিবালয়ে তেল নিয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে অকটেন এবং পেট্রোলের কার্যত সংকট নেই। পেট্রোল পুরোটাই বাংলাদেশে উৎপাদন ও পরিশোধন করা হয়। অকটেনের সিংহভাগও দেশ থেকে পরিশোধিতভাবে পাওয়া যায়, কিছু অকটেন আমদানি করতে হয়। আমদানির ওপর মূলত নির্ভর করা হয় ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলের জন্য। অথচ পেট্রোল পাম্পে লম্বা লাইন মোটরবাইক কিংবা ব্যক্তিগত গাড়ির। অর্থাৎ কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা থেকে এ সংকট তৈরি হয়েছে। এ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কারণ, জ্বালানি পাওয়া যাবে না কিংবা জ্বালানির দাম বাড়তে পারে এমন আশঙ্কা। কিন্তু এতদিনেও কোনো পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি সংকট হয়নি এবং যেহেতু জ্বালানির দাম বাড়েনি সেহেতু শঙ্কা সময়ের সঙ্গে কেটে যাবে।

তিনি জানান, যে দুইটি জাহাজ জ্বালানি নিয়ে আসার কথা ছিলো, তার একটি গতরাতে এসেছে। আরেকটি থেকে আজ জ্বালানি খালাস করা যাবে। ১২ তারিখ জ্বালানি নিয়ে আরেকটি জাহাজ আসবে। 

জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ নিয়ে এ মুহূর্তে কোনো সংকট নেই জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, রোজা এবং ঈদ আনন্দ নির্বিঘ্ন করতে সরকার সচেষ্ট আছে। যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা আছে সেটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কমে যাবে বলে মনে করি।

ভারত থেকে জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে একটি পাইপলাইন আছে। সে পাইল লাইন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ জ্বালানি আসার কথা। তার সিংহভাগ এসেছে। বাকি যে অংশটি আছে, সেটি ধারাবাহিকভাবে আসছে। পাইপলাইন দিয়ে ভারত থেকে প্রতিমাসে গড়ে ১৫ হাজার টন আসার কথা। অনানুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে বলা হয়েছে, সুযোগ থাকলে প্রতিবেশি হিসেবে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানো স্বাভাবিক সৌজন্য। সে চেষ্টা করার অনুরোধ করা হয়েছে।

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, অসাধু চক্রের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সিলিং করা হয়েছে। দাম বাড়ছে বিষয়টি মাথায় রেখে জনদুর্ভোগ না হয় সে দিকে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে সবার সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, রাইড শেয়ারকারীদের সুবিধার্থে আজ থেকে প্রতিদিন ৫ লিটার করে তেল সরবরাহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।